কলমি শাক
অবয়ব
| কলমি শাক | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | ভাজি |
| পরিবেশন | ৫ জন |
| তৈরির সময় | ৩০ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | কলমি শাক ভাজি একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিকর পদ |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
কলমি শাক বাংলাদেশের একটি পরিচিত এবং পুষ্টিকর শাক। এটি তৈরি করা খুব সহজ এবং খেতেও সুস্বাদু।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| নাম | উপকরণ |
|---|---|
| কলমি শাক | ৫০০ গ্রাম (ভালোভাবে বেছে, পরিষ্কার করে কুচি করে কাটা) |
| পেঁয়াজ কুচি | ১টি (বড়, কুচি করা) |
| রসুন কুচি | ৩-৪ কোয়া |
| কাঁচা মরিচ | ৩-৪টি (বা আপনার স্বাদমতো, ফালি করা) |
| শুকনা মরিচ | ২-৩টি (ইচ্ছা হলে, ফোড়নের জন্য) |
| সর্ষের তেল/সয়াবিন তেল | ২-৩ টেবিল চামচ |
| লবণ: স্বাদমতো | |
| গোটা জিরা | ১/২ চা চামচ (ফোড়নের জন্য, ঐচ্ছিক) |
রন্ধনপ্রণালী
[সম্পাদনা]- প্রথমে কলমি শাকগুলো ভালোভাবে বেছে নিন, যেন কোনো ময়লা বা পোকা না থাকে। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ২-৩ বার ভালোভাবে ধুয়ে নিন। পানি ঝরিয়ে মিহি করে কুচি করে কেটে নিন।
- একটি কড়াই বা প্যানে তেল গরম করুন। সর্ষের তেল ব্যবহার করলে শাকের স্বাদ আরও ভালো আসে।
- তেল গরম হলে যদি ব্যবহার করতে চান, তাহলে গোটা জিরা এবং শুকনা মরিচ দিয়ে হালকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ হালকা বাদামী হলে তুলে একপাশে রাখুন, এটি পরে পরিবেশনের সময় ব্যবহার করতে পারেন।
- এবার পেঁয়াজ কুচি এবং রসুন কুচি দিয়ে সোনালী হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।
- শাক ও কাঁচামরিচ যোগ: পেঁয়াজ-রসুন সোনালী হয়ে এলে কুচি করে রাখা কলমি শাক এবং ফালি করা কাঁচামরিচ দিয়ে দিন।
- শাকে স্বাদমতো লবণ দিন এবং ভালো করে নেড়েচেড়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে রান্না করুন। শাক থেকে পানি বের হতে শুরু করবে।
- শাক নরম হয়ে এলে ঢাকনা তুলে ফেলুন। এবার আঁচ বাড়িয়ে দিন এবং অনবরত নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না শাকের সমস্ত পানি শুকিয়ে যায় এবং শাক ঝরঝরে হয়ে আসে।
- পানি শুকিয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।
টিপস
[সম্পাদনা]- শাক বেশি সেদ্ধ করবেন না, এতে পুষ্টিগুণ এবং সবুজ রঙ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
- শাকে লবণ দেওয়ার সময় সতর্ক থাকুন, কারণ শাক রান্না হওয়ার পর পরিমাণে কমে যায়, তাই লবণ বেশি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- আপনি চাইলে এই শাকে সামান্য চিংড়ি মাছ বা ডাল ভর্তা দিয়েও ভাজতে পারেন, এতে স্বাদ আরও বাড়বে।