কচুপাতা ভর্তা
অবয়ব
| কচুপাতা ভর্তা | |
|---|---|
| রন্ধনপ্রণালী বিভাগ | ভর্তা |
| পরিবেশন | ৩–৪ জন |
| খাদ্য শক্তি | মাঝারি |
| তৈরির সময় | ৪৫ মিনিট |
| কষ্টসাধ্য | |
| টীকা | জনপ্রিয় গ্রামীণ খাবার যা সরিষা, কাঁচা লঙ্কা ও রসুন দিয়ে তৈরি হয়। |
রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী
কচুপাতা ভর্তা
বাংলার গ্রাম্য রান্নার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী একটি পদ হচ্ছে কচুপাতা ভর্তা। কচুর পাতার স্বাদ ও গন্ধ যেমন আলাদা, তেমনি এর পুষ্টিগুণও বেশ উল্লেখযোগ্য। গ্রামের মানুষ কচুপাতা সংগ্রহ করে তা ধুয়ে, সিদ্ধ করে, বিশেষভাবে মশলা মিশিয়ে এক ধরণের দারুণ ভর্তা তৈরি করে থাকে। এটি ভাতের সঙ্গে খাওয়া হয় এবং বিশেষ করে বর্ষাকালে কচুপাতা ভর্তা বেশ জনপ্রিয়।
উপকরণ
[সম্পাদনা]| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| কচুর পাতা | ৮–১০টি (পরিষ্কার করে ধোয়া) |
| পেঁয়াজ কুচি | ১/২ কাপ |
| রসুন কোয়া | ৪–৫টি |
| কাঁচা লঙ্কা | ৫–৬টি (ঝাল অনুযায়ী) |
| সরিষার তেল | ২ টেবিল চামচ |
| লবণ | স্বাদ অনুযায়ী |
| হলুদ গুঁড়ো | ১/৪ চা চামচ |
| শুকনা মরিচ | ২–৩টি (ভর্তার ওপর দেওয়ার জন্য) |
প্রস্তুত প্রণালী
[সম্পাদনা]- কচুর পাতা ভালোভাবে ধুয়ে কুঁচিয়ে নিন। পাতাগুলোর কান্ড ও মোটা শিরা অংশ বাদ দিয়ে শুধু নরম অংশ ব্যবহার করুন।
- একটি হাঁড়িতে পানি দিয়ে পাতাগুলো সিদ্ধ করে নিন। সাথে সামান্য লবণ ও হলুদ দিন যাতে চুলকানি না হয়।
- সিদ্ধ হওয়ার পরে পানি ঝরিয়ে নিন এবং ঠান্ডা হতে দিন।
- এখন একটি মাটির শিল-নোড়া বা পাটায় কচুপাতা, রসুন, কাঁচা লঙ্কা ও লবণ একসাথে বাটুন। চাইলে পেঁয়াজ কুচি কাঁচা বা হালকা ভেজে মেশানো যায়।
- অন্যদিকে সরিষার তেলে শুকনা মরিচ ও পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন। এটি বাটানো মিশ্রণের সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে ভর্তা তৈরি করুন।
- পরিবেশনের সময় উপর থেকে সামান্য সরিষার তেল ছিটিয়ে দিন, এতে স্বাদ আরও বেড়ে যাবে।
গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
পরামর্শ
[সম্পাদনা]- কচুপাতা সিদ্ধ করার সময় পর্যাপ্ত হলুদ ব্যবহার করুন যাতে কোনো চুলকানি না থাকে।
- যদি কচুপাতা কচি না হয়, তবে একটু বেশি সিদ্ধ করে নিন।
- পেঁয়াজ হালকা ভেজে নিলে এর ঝাঁজ কমে যায় এবং ভর্তায় সুন্দর ঘ্রাণ আসে।
- শিল-পাটায় বাটলে স্বাদ আরও ভালো ও ঘরোয়া হয়।