বিষয়বস্তুতে চলুন

ঈশ আস-সরায়া

উইকিবই থেকে
ঈশ আস-সরায়া
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ মিষ্টান্ন
পরিবেশন ৪ জন
খাদ্য শক্তি উচ্চ
তৈরির সময় ৫ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা দুধের মিশ্রণ খুব বেশি ঘন করবেন না। রুটিতে রস ভালোভাবে ঢুকতে দিন এবং পরিবেশনের আগে যথেষ্ট ঠান্ডা করুন।


রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

ঈশ আস-সরায়া

ঈশ আস-সরায়া মধ্যপ্রাচ্যের একটি জনপ্রিয় মিষ্টান্ন, যা বিশেষ করে লেবাননে বহুল পরিচিত। চিনির রসে ভেজানো শুকনো রুটি ও গোলাপজল-সুগন্ধি ঘন দুধের স্তর দিয়ে এই খাবার তৈরি করা হয়। ডিম ছাড়াই তৈরি এই মিষ্টান্ন স্বাদে মোলায়েম ও হালকা।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
চিনির রসের জন্য
চিনি ১ কাপ
জল ১ কাপ
লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ
গোলাপ জল ১ টেবিল-চামচ
কমলার খোসা কুচি (ঐচ্ছিক) ১ টেবিল-চামচ
দুধের স্তরের জন্য
দুধ ৫০০ মিলিলিটার
মিষ্টি ঘন দুধ ৪০০ গ্রাম
ঘন দুধের সর ৩০০ মিলিলিটার
ভুট্টার গুঁড়ো ৫–৬ টেবিল-চামচ
গোলাপ জল ১–২ টেবিল-চামচ
কমলার খোসা কুচি (ঐচ্ছিক) ২ টেবিল-চামচ
শুকনো টোস্ট করা রুটি ৩০টি
পেস্তা বাদাম কুচি ১/৪ কাপ

রন্ধনপ্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে একটি চৌকো পাত্রে শুকনো টোস্ট করা রুটিগুলো সমানভাবে বিছিয়ে নিন।
  2. এবার একটি পাত্রে চিনি, জল ও লেবুর রস দিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন।
  3. চিনি গলে গেলে গোলাপ জল ও চাইলে কমলার খোসা কুচি মিশিয়ে নামিয়ে নিন। সামান্য ঠান্ডা হতে দিন।
  4. রুটির ওপর এই রস ঢেলে দিন যাতে ভালোভাবে ভিজে যায়। প্রয়োজনে আরেক স্তর রুটি দিয়ে আবার রস দিন।
  5. অল্প ঠান্ডা দুধে ভুট্টার গুঁড়ো গুলে নিন।
  6. অন্য পাত্রে বাকি দুধ, মিষ্টি ঘন দুধ, সর এবং গুলে রাখা ভুট্টার গুঁড়ো একসঙ্গে দিন।
  7. মাঝারি আঁচে অনবরত নাড়তে থাকুন।
  8. মিশ্রণটি ঘন ও মসৃণ হলে গোলাপ জল এবং চাইলে কমলার খোসা কুচি মিশিয়ে দিন।
  9. ঢালার মতো ঘন হলে চুলা বন্ধ করে কিছুটা ঠান্ডা করুন।
  10. এবার রসে ভেজানো রুটির ওপর সমানভাবে ঢেলে দিন।
  11. ওপরে পেস্তা বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিন।
  12. ঢেকে অন্তত ৪–৬ ঘণ্টা বা সারারাত হিমঘরে রেখে দিন।
  13. ভালোভাবে ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।

ঠান্ডা ঠান্ডা ঈশ আস-সরায়া পরিবেশন করুন—এটি খাবারের শেষে পরিবেশনের জন্য দারুণ উপযোগী একটি মিষ্টান্ন।