বিষয়বস্তুতে চলুন

আলুর চিলা

উইকিবই থেকে
আলুর চিলা
রন্ধনপ্রণালী বিভাগ জলখাবার
পরিবেশন ৩–৪ জন
খাদ্য শক্তি মাঝারি
তৈরির সময় ৪০ মিনিট
কষ্টসাধ্য
টীকা হালকা ও মজাদার জলখাবার, যা সহজে তৈরি হয় এবং সকালের নাস্তা বা বিকেলের খাবার হিসেবে বেশ উপযুক্ত।

রন্ধনপ্রণালী | প্রস্তুতপ্রণালী | উপকরণ | যন্ত্রপাতি | কৌশল | রন্ধনপ্রণালী দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা | প্রস্তুতপ্রণালী

আলুর চিলা

আলুর চিলা হলো এক ধরণের পাতলা ঝাল পিঠা, যা মূলত কাঁচা আলু কুরিয়ে মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এটি দেখতে অনেকটা ধোসা বা পাতলা পাকোড়ার মতো হলেও এর স্বাদ এবং ঘ্রাণে থাকে আলুর অনন্যতা। উপকরণ সহজলভ্য হওয়ায় এটি যে কোনো সময় তৈরি করা যায় এবং বিশেষ করে বাচ্চাদের টিফিনের জন্য উপযোগী একটি পদ।

উপকরণ

[সম্পাদনা]
উপকরণ পরিমাণ
কাঁচা আলু (কুরানো) ৩টি মাঝারি আকারের
বেসন ১ কাপ
পেঁয়াজ কুচি ১টি
কাঁচা মরিচ কুচি ২টি
ধনে পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ
লবণ স্বাদমতো
পানি প্রয়োজনমতো (মিশ্রণ পাতলা করার জন্য)
সরিষার তেল ভাজার জন্য

প্রস্তুত প্রণালী

[সম্পাদনা]
  1. প্রথমে আলুগুলো কুরিয়ে নিয়ে হালকা চিপে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিন।
  2. একটি পাত্রে বেসন, কুরানো আলু, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, আদা, ধনে পাতা, হলুদ, জিরা ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
  3. ধীরে ধীরে পানি দিয়ে একধরণের ঘন বাটার তৈরি করুন যেন তা চামচ দিয়ে ঢালার মতো হয়।
  4. একটি মোটা তাওয়া বা হাড়িতে সামান্য তেল গরম করে তার উপর এক চামচ বাটার ছড়িয়ে দিন এবং চ্যাপ্টা করে দিন।
  5. ঢেকে দিন এবং মাঝারি আঁচে একপাশ ভাজা হলে উল্টে দিন ও অন্য পাশে সোনালি করে ভাজুন।
  6. এভাবে সব চিলা তৈরি করে নিন।

পরিবেশন

[সম্পাদনা]

আলুর চিলা গরম গরম পরিবেশন করুন টক দই, ধনে পাতা চাটনি বা কাসুন্দির সঙ্গে। এটি সকালের নাশতা কিংবা বিকালের জলখাবারের জন্য দারুণ উপযুক্ত।

পরামর্শ

[সম্পাদনা]
  • চিলার মিশ্রণ বেশি পাতলা হলে তা তাওয়ায় ছড়াতে সমস্যা হতে পারে, তাই ঘনত্ব বজায় রাখুন।
  • চাইলে চিলায় মিষ্টি ভুট্টা, গাজর কুচি বা পনিরও যোগ করা যায় স্বাদবৃদ্ধির জন্য।
  • বেশি তেলে না ভাজলেও চলে, শুধু হালকা তেলেই এটি সুস্বাদু হয়ে ওঠে।

স্বাস্থ্য উপকারিতা ও সতর্কতা

[সম্পাদনা]

আলুর চিলা তুলনামূলকভাবে হালকা খাবার হলেও এতে আলু ও বেসনের উপস্থিতিতে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিনের সংমিশ্রণ পাওয়া যায়। এটি নিরামিষ, তাই যারা মাংস বা ডিম পরিহার করেন তাদের জন্যও উপযুক্ত। তবে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য বেসন ও আলু একসঙ্গে গ্রহণ সীমিত করা উচিত। তেলের পরিমাণ কম রাখলে এটি সাস্থ্যসম্মত নাস্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।