বিষয়বস্তুতে চলুন

মাগলস গাইড টু হ্যারি পটার

উইকিবই থেকে

অধ্যায়  : হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার: কুইডিচ ওয়ার্ল্ড কাপ← অধ্যায় ৭ | অধ্যায় ৯ →

সারসংক্ষেপ

[সম্পাদনা]
সতর্কীকরণ: কাহিনির অংশ এবং/অথবা সমাপ্তির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে প্রকাশ করা হয়েছে।

হ্যারি, রন, জিনি, হারমায়োনি, যমজ ভাইরা, পার্সি, চার্লি, বিল এবং মিস্টার উইজলি স্টেডিয়ামের দিকে রওনা হন। তাদের বসার জায়গা ছিল সবচেয়ে ওপরের বক্সে। সেখানে ক্রাউচ পরিবারের এক নারী হাউস-এলফ উইঙ্কি ছাড়া আর কেউ ছিল না। উইঙ্কি ডবিকে চেনে এবং জানায় যে ডবি পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজ খুঁজতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে। উইঙ্কি মিস্টার ক্রাউচের জন্য একটি আসন ধরে রেখেছিল যদিও সে উচ্চতা দেখে পরিষ্কারভাবে ভয় পাচ্ছিল।

ধীরে ধীরে টপ বক্সে লোকজন আসতে শুরু করে। প্রথমে বুলগেরিয়ান উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং জাদুর মন্ত্রী আসেন। সবশেষে লুসিয়াস ম্যালফয়, তার স্ত্রী নার্সিসা এবং তাদের ছেলে ড্রাকো উপস্থিত হন। মিস্টার ম্যালফয় সম্প্রতি সেন্ট মাঙ্গোস হসপিটাল ফর ম্যাজিক্যাল ম্যালাডিস অ্যান্ড ইনজুরিতে একটি বড় অংকের অনুদান দিয়েছেন। তিনি কর্নেলিয়াস ফাজের বিশেষ অতিথি হিসেবে এসেছিলেন।

দলের ম্যাসকটরা তাদের নৈপুণ্য প্রদর্শন করে। প্রথমে আসে বুলগেরিয়ানরা। অপরূপ সুন্দরী ভিলা নারীরা পিচে নাচতে শুরু করে। প্রায় প্রতিটি পুরুষই তাদের জাদুকরী প্রভাবে নিজেকে জাহির করার নেশায় মত্ত হয়ে যায়। হ্যারি টপ বক্স থেকে এক অদ্ভুত কায়দায় লাফ দিতে চেয়েছিল। ভাগ্যক্রমে হারমায়োনি এবং মিস্টার উইজলি তাকে এবং রনকে আটকে দেন। রনও সম্ভবত একই রকম কোনো বীরত্ব দেখানোর জন্য অনুপ্রাণিত হয়েছিল। এরপর আইরিশ লেপ্রেচনরা উড়ে আসে এবং দর্শকদের ওপর সোনার কয়েন বর্ষণ করে। রন এক মুঠো কয়েন তুলে নেয় এবং অমনিওকুলারের দাম শোধ করার জন্য সেগুলো হ্যারিকে দেয়।

আইরিশ এবং বুলগেরিয়ান দলের মধ্যে খেলা শুরু হয়। বুলগেরিয়ান সিকার ভিক্টর ক্রাম ছিল রনের অন্যতম নায়ক। খেলার গতি এতই দ্রুত ছিল যে ধারাভাষ্যকার লুডো ব্যাগম্যান তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। এমনকি হ্যারির পক্ষেও অমনিওকুলার দিয়ে খেলা অনুসরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। ক্রাম আইরিশ সিকারকে হারিয়ে স্নিচ ধরেন। তবে চূড়ান্ত স্কোর দাঁড়ায় আয়ারল্যান্ড ১৭০ এবং বুলগেরিয়া ১৬০। আয়ারল্যান্ডের জয়ের পর যমজ ভাইরা তাদের বাজির টাকা নেওয়ার জন্য লুডো ব্যাগম্যানের কাছে যায়।

বিশ্লেষণ

[সম্পাদনা]

হ্যারি এবং রনের ক্রমবর্ধমান বয়ঃসন্ধিকালীন আবেগের ইঙ্গিত এখানে পাওয়া যায়। যখন তারা সুন্দরী ভিলা নারীদের দেখে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি এই দুই কিশোর এবং তাদের হগওয়ার্টসের সহপাঠীদের আগ্রহ পুরো সিরিজ জুড়েই বিভিন্ন হাস্যকর এবং মর্মস্পর্শী ঘটনার মাধ্যমে বিকশিত হয়েছে। যদিও তারা এখন মেয়েদের প্রতি আগ্রহী। তবে হ্যারি এবং রন এখনও প্রকৃত ভালোবাসা এবং সাময়িক মোহ কিংবা ঈর্ষা ও সম্পর্কের জটিলতা বুঝতে শেখেনি। স্টেডিয়ামের প্রায় সব পুরুষের মতো হ্যারিও ভিলাদের মোহে আচ্ছন্ন হয়েছিল। তবে পরে যখন সে তাদের প্রকৃত এবং কুৎসিত রূপ দেখে তখন সে অবাক হয়ে যায়। রাগান্বিত হলে তাদের পাখির মতো কোণাকৃতি মুখ এবং আঁশযুক্ত ডানা বেরিয়ে আসে। হ্যারি ধীরে ধীরে শিখছে যে বাইরের সৌন্দর্য অনেক সময় ভেতরের কুৎসিত বাস্তবতাকে ঢেকে রাখতে পারে।

হ্যারি উপহার হিসেবে অমনিওকুলার দিলেও রন সেটির দাম শোধ করার জন্য জেদ ধরে। এটি রনের আত্মসম্মানের বিষয় কারণ তার পরিবার খুব সামান্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতেই হিমশিম খায়। রন প্রায়ই ছোটখাটো বিলাসিতা থেকেও বঞ্চিত হয় যা অন্যরা খুব সহজেই পায়। লেপ্রেচনদের ছুড়ে দেওয়া সোনা দিয়ে নিজের খরচ নিজে মেটাতে পেরে সে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করে। প্রায়ই বঞ্চিত থাকার কারণে রন মনে মনে কিছুটা ক্ষুব্ধ থাকলেও এটি তার চরিত্রকে ইতিবাচকভাবে গড়ে তুলেছে। রন যত বড় হবে সে কখনও মনে করবে না যে জীবন তাকে এমনিতেই কিছু দেবে। বরং সে এটা মেনে নেবে যে সে যা চায় তা পরিশ্রম করে অর্জন করতে হবে। এটি অনেক স্লিদারিনদের চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত। স্লিদারিনরা মনে করে যে তাদের বংশমর্যাদা এবং সম্পদের কারণে তারা যা চায় তা পাওয়ার অধিকার রাখে। তারা প্রতিভা বা কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে আভিজাত্যকে বড় করে দেখে। পাঠকদের মনে থাকতে পারে যে ড্রাকো ম্যালফয় স্লিদারিন সিকার হতে পেরেছিল (হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস বইতে) কেবল তার বাবা লুসিয়াস ম্যালফয় পুরো দলকে নতুন ঝাড়ু কিনে দেওয়ার পর। ড্রাকো নিজের যোগ্যতায় এই জায়গা পায়নি। যদিও ড্রাকোর নিজের সামর্থ্য দিয়ে এটি অর্জন করার মতো প্রতিভা ছিল। তবুও সে যা চায় তা পাওয়ার জন্য সহজ পথটি বেছে নিয়েছিল।

খেলার সময় মিস্টার ক্রাউচের আসনটি খালি ছিল যা পাঠকদের খেয়াল করা উচিত। তিনি কোথায় ছিলেন এবং কেন আসেননি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। যদি তার অনুপস্থিতি পূর্বপরিকল্পিত হয় তবে তিনি কেন উইঙ্কিকে দিয়ে আসনটি ধরে রেখেছিলেন তা ভেবে দেখার মতো বিষয়।

প্রশ্নাবলী

[সম্পাদনা]

পাঠ্যসংক্রান্ত প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীদের নিজস্ব অনুশীলনের জন্য রাখা হয়েছে; অনুগ্রহ করে এখানে এগুলোর উত্তর দেবেন না।

পর্যালোচনা

[সম্পাদনা]
  1. হ্যারি উপহার হিসেবে দেওয়া সত্ত্বেও রন কেন অমনিওকুলারের দাম শোধ করার জন্য জেদ ধরে?
  2. হ্যারি কর্তৃক ডবিকে ম্যালফয় পরিবারের দাসত্ব থেকে মুক্ত করার ঘটনাটি (হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস বইতে) কীভাবে ডবির জীবন বদলে দিয়েছিল? সে কি আগের চেয়ে ভালো আছে নাকি খারাপ?
  3. হ্যারি, রন এবং অন্য অনেক পুরুষ কেন ভিলা নারীদের দ্বারা এত বেশি প্রভাবিত হয়?

অধিকতর অধ্যয়ন

[সম্পাদনা]
  1. ফ্রেড এবং জর্জ কীভাবে ওয়ার্ল্ড কাপের চূড়ান্ত ফলাফল এত নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিল?
  2. মিস্টার ক্রাউচ একজন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজনের একজন সাহায্যকারী হওয়া সত্ত্বেও গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডে তার জন্য সংরক্ষিত আসনটি কেন খালি ছিল?
  3. ভিলাদের প্রকৃত রূপ দেখে হ্যারির প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল? এটি অধিকাংশ সমাজে সৌন্দর্যের গুরুত্ব সম্পর্কে কী ইঙ্গিত দেয়?

বৃহত্তর প্রেক্ষাপট

[সম্পাদনা]
একটু দাঁড়ান! আপনি যদি মধ্যম পর্যায়ের পাঠক হন, তবে নিচের বিস্তারিত বিবরণ আপনার মূল বই পড়ার আনন্দে বাদ সাধতে পারে।

রন অমনিওকুলারের জন্য হ্যারিকে যে সোনা দিয়ে দাম মেটায় তা আসলে ছিল লেপ্রেচনদের সোনা। হ্যারি বা রন কারোরই চোখে পড়েনি যে সেই সোনা শীঘ্রই অদৃশ্য হয়ে যায়। অধ্যায় ২৮-এ রন যখন জানতে পারে যে সোনাগুলো গায়েব হয়ে গেছে তখন সে খুব আপসেট হয়। সে হ্যারির ওপর রেগে যায় কারণ হ্যারি সোনাগুলো হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি খেয়ালই করেনি। এটি অন্তত রনের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখায় যে টাকা-পয়সা নিয়ে হ্যারির চিন্তা কতটা কম অথচ রনের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। উইজলি পরিবারের আর্থিক অনটন রনের জন্য সবসময়ই একটি বিব্রতকর অবস্থা এবং কষ্টের কারণ। বিশেষ করে হ্যারির সচ্ছলতার তুলনায় এটি প্রকট হয়ে ওঠে। যদিও হ্যারি নিজের পেছনে খুব কম খরচ করে এবং তার খুব বেশি বৈষয়িক সম্পদ নেই। রনের এই তুলনাটি কিছুটা ত্রুটিপূর্ণ হলেও এটি মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। হ্যারির কাছে টাকা আছে যা নিয়ে সে খুব একটা ভাবছে না। কিন্তু রনের মতো একটি ভালোবাসাময় এবং সাহায্যকারী পরিবার তার নেই যা রন খুব স্বাভাবিকভাবেই পায়। হ্যারি সম্ভবত তার সব সম্পদের বিনিময়ে হলেও রনের মতো একটি পরিবার পেতে চাইত।

কুইডিচ চ্যাম্পিয়ন ভিক্টর ক্রামকে এখানে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্রাম আসন্ন ট্রিউইজার্ড টুর্নামেন্টে অংশ নেবেন। যদিও ক্রাম রনের "নায়ক" কিন্তু পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে রন তার সম্পর্কে একদম ভিন্ন ধারণা পোষণ করবে। এর কারণ হয়তো রন নিজেও পুরোপুরি বুঝতে পারবে না।

পরবর্তী কয়েকটি অধ্যায়ে উইঙ্কি বড় ভূমিকা পালন করবে। মিস্টার ক্রাউচ উইঙ্কির সক্রিয় সহায়তায় কয়েক বছর ধরে একটি গোপন রহস্য লুকিয়ে রেখেছেন যা প্রায় ফাঁস হয়ে যাচ্ছিল। উইঙ্কি যে আসনটি ধরে রেখেছিল তা আসলে পুরোপুরি খালি ছিল না। এই রহস্য প্রায় ফাঁস হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ক্রাউচ উইঙ্কিকে কাজ থেকে বরখাস্ত করবেন। উইঙ্কির এই বিদায় শেষ পর্যন্ত সেই গোপন রহস্যটি পুরোপুরি প্রকাশ পেতে সাহায্য করবে। এই বইয়ের বাকি কাহিনীর অনেকটাই এই রহস্য ফাঁসের পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আবর্তিত হবে।

শীঘ্রই হ্যারি বুঝতে পারবে যে তার জাদুর কাঠিটি হারিয়ে গেছে। এই অধ্যায়ের ঘটনাগুলোর মধ্যেই সেটি চুরি হয়েছিল। ঠিক কখন চুরি হয়েছে তা অজানা। তবে ভিলাদের গানের সময় এটি হয়ে থাকতে পারে। হ্যারি তখন আবিষ্ট অবস্থায় থাকায় তার জাদুর কাঠি হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেনি। এটি উইঙ্কির লুকিয়ে রাখা সেই গোপন রহস্যের সাথে সম্পর্কিত যা আগের অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

এই এবং পরবর্তী অধ্যায়ের ভিলাদের ঘটনাগুলো হ্যারি এবং রনের ক্রমবর্ধমান যৌন সচেতনতাকে তুলে ধরে। হ্যারির তুলনায় রন ভিলাদের জাদুর জালে বেশি আটকা পড়বে। এর ফলে সে ফ্লুর ডেলাকোরের প্রতি মোহগ্রস্ত হয়ে পড়বে। পরে জানা যায় যে ফ্লুর ছিল এক-চতুর্থাংশ ভিলা।

সিরিজের শক্তিশালী লেখনীর ছাপ পাওয়া যায় আমাদের নায়কদের বাস্তবসম্মত রোমান্টিক সম্পর্কের জটিলতায়। রন আবেগগতভাবে হ্যারি বা হারমায়োনির চেয়ে কম পরিপক্ক হওয়ায় ভালোবাসা এবং সাময়িক মোহের পার্থক্য বুঝতে হিমশিম খায়। এমনকি ফ্লুরের সান্নিধ্যের প্রভাব কেটে যাওয়ার পরেও সে তা বুঝে উঠতে পারে না। হ্যারিও প্রায় সমান অপরিণত। এই বইতে তার যে ভালো লাগা শুরু হয় তা পরের বইতে প্রেমের রূপ নেয়। সে চো চ্যাংয়ের প্রতি মোহগ্রস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু হ্যারির অপরিণত অভিজ্ঞতা এবং চোর নাজুক মানসিক অবস্থা বুঝতে না পারার কারণে সেই সম্পর্কটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। অধিকাংশ পাঠকই হয়তো তাদের জীবনে এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছেন অথবা কাউকে এমনটা হতে দেখেছেন। দুঃসাহসিক অভিযান এবং সংঘাতের গল্পে সাধারণত রোমান্টিক দিকগুলো গৌণ থাকে। কিন্তু লেখিকা অত্যন্ত সফলভাবে দেখিয়েছেন যে একজন তরুণের জীবনে রোমান্স কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা সে জাদুকর হোক বা মাগল। হ্যারি ও রন এবং হারমায়োনির রোমান্টিক জীবন দেখানোর মাধ্যমে লেখিকা চরিত্রগুলোকে বাস্তবসম্মত করে তুলেছেন। যা পাঠকদের তাদের প্রতি আরও যত্নশীল হতে এবং নিজেদের সাথে মেলাতে সাহায্য করে।

লুডো ব্যাগম্যানের বাজি ধরাটা মারাত্মকভাবে ভুল প্রমাণিত হয়। তবে একজন দক্ষ জুয়াড়ির মতো সে তার খদ্দেরদের শান্ত রাখতে হাসিখুশি চেহারা বজায় রাখে। সে মন্তব্য করে যে খেলার ফলাফলটি ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত যা মানুষ বহু বছর মনে রাখবে। তবে যমজ ভাইদের কাছে এই ফলাফল মোটেও বিস্ময়কর ছিল না। তারা আয়ারল্যান্ডের জয় এবং ক্রামের স্নিচ ধরার বিষয়টি নিখুঁতভাবে অনুমান করেছিল। ঋণে ডুবে থাকা লুডো বিজয়ীদের টাকা শোধ করতে চরম পথ বেছে নেয়। অধ্যায় ৩৭-এ প্রকাশ পায় যে সে যমজ ভাইদের লেপ্রেচনদের সোনা দিয়ে টাকা শোধ করেছিল যা কিছুক্ষণ পরেই অদৃশ্য হয়ে যায়। সে উচ্চপদস্থ গবলিনদের কাছেও অনেক টাকা ঋণী ছিল। পরের অধ্যায়ে হ্যারি যখন বনের মধ্য দিয়ে হাঁটছিল তখন সে গবলিনদের সোনা গুনতে এবং হাসাহাসি করতে দেখে। এটি সম্ভবত ব্যাগম্যানের কাছ থেকে জেতা তাদের সেই টাকা। পরে জানা যায় ব্যাগম্যান গবলিনদের ঋণের একটি বড় অংশও লেপ্রেচনদের সোনা দিয়েই মেটানোর চেষ্টা করেছিল। পুরো বই জুড়ে ব্যাগম্যানকে প্রায়ই এই ঋণ নিয়ে গবলিনদের সাথে দর কষাকষি করতে এবং ফ্রেড ও জর্জের থেকে পালিয়ে বেড়াতে দেখা যায়।