বিষয়বস্তুতে চলুন

বিশ্বের ইতিহাস/নেপোলিয়নীয় ইউরোপ ও প্রতিক্রিয়াশীলতা

উইকিবই থেকে

মানচিত্র | উৎস | অবদানকারীদের কর্নার


ফরাসি বৈপ্লবিক যুদ্ধসমূহ

[সম্পাদনা]

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

[সম্পাদনা]
একটি ব্যঙ্গচিত্র যেখানে দেখা যাচ্ছে তৃতীয় সম্প্রদায় বা সাধারণ মানুষ অভিজাত ও যাজকতন্ত্রের বোঝা বহন করছে।

আমেরিকার মতো ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯-১৭৯৯) কোনো পক্ষের জন্যই খুব একটা সুখকর হয়নি। এটি ছিল চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আমূল পরিবর্তনের এক সময়কাল। বিপ্লবের সময় ফ্রান্স কঠোরভাবে তিনটি সামাজিক স্তর বা এস্টেট-এ বিভক্ত ছিল: অভিজাত শ্রেণী, যাজক সম্প্রদায় এবং বাকি সব সাধারণ মানুষ। এই ব্যবস্থার অর্থ ছিল কৃষিকাজ তখনও সামন্ততান্ত্রিক প্রথা অনুযায়ী চলত। সেখানে কৃষকরা জমিতে হাড়ভাঙা খাটুনি দিলেও তাদের ভূস্বামীদের কাছ থেকে কোনো সুরক্ষা বা নিরাপত্তা পেত না। এই বৈষম্য ব্যাপক অসন্তোষের জন্ম দেয়, যা পর্যায়ক্রমে একটি প্রজাতন্ত্র, একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র এবং শেষ পর্যন্ত এমন এক বিশাল সাম্রাজ্য তৈরি করে যার রাজ্য জয়ের ক্ষমতা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ইউরোপে আর দেখা যায়নি।

বিপ্লবের কারণসমূহ

[সম্পাদনা]

ইতিহাসবিদদের মতে, এই বিপ্লবের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল অর্থনৈতিক। ইংল্যান্ডের মতো অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তিগুলোর অর্থনৈতিক সক্ষমতার সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে দ্রুত শিল্প প্রসারের ফলে ফ্রান্সে ব্যাপক দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টি দেখা দেয়। আরেকটি বড় কারণ ছিল 'সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ', যার ফলে ফরাসিরা ইংরেজদের কাছে ভারত এবং কুইবেক উভয় অঞ্চলই হারায়। এছাড়া আমেরিকান বিপ্লবে ফরাসিদের সমর্থন দেওয়া তাদের রাজকোষকে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেয়। ভেঙে পড়া অর্থনীতির মধ্যেও অভিজাত শ্রেণী বিলাসী জীবনযাপন চালিয়ে যাচ্ছিল, বিশেষ করে রানি মারি আঁতোয়ানেত। (একটি বহুল প্রচলিত কিন্তু অপ্রমাণিত উক্তি হলো: "তারা রুটি পাচ্ছে না? তবে তারা কেক খাক!")। শেষ কারণটি ছিল জ্ঞানদীপ্তির প্রভাব। অন্য দেশগুলোকে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র বা প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হতে দেখে সাধারণ কৃষকদের মনে নিজেদের স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। তারা একা ছিলেন না। গ্রামীণ যাজকদের একটি বড় অংশ তাদের অভিজাত বিশপদের ঘৃণা করত, প্রোটেস্ট্যান্ট সংখ্যালঘুরা নিপীড়ন থেকে মুক্তি চাইত এবং আলোকিত চিন্তাবিদগণ এমন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখতেন যা তারা নিজেদের বলতে পারে।

শুরুর দিকের যুদ্ধ

[সম্পাদনা]
বাস্তিল দুর্গের পতন

বাস্তিল দুর্গের পতনের মধ্য দিয়ে রাজার বিরুদ্ধে ফ্রান্সে বিপ্লবের আগুন জ্বলে ওঠে। বিদ্রোহের নেতারা দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেন, যদিও সেই নিয়ন্ত্রণ পরবর্তীতে হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল।

নেপোলিয়নের সিংহাসন আরোহণ

[সম্পাদনা]

ইউরোপে ফরাসি আধিপত্য

[সম্পাদনা]

রাশিয়া অভিযান

[সম্পাদনা]

নেপোলিয়নের পরাজয়

[সম্পাদনা]