বিষয়বস্তুতে চলুন

বিশ্বের ইতিহাস/অবদানকারীদের কর্নার

উইকিবই থেকে

মানচিত্র | উৎস | অবদানকারীদের কর্নার


ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি প্রজেক্টের অবদানকারীদের কর্নার বা অবদানকারীদের আড্ডায় আপনাকে স্বাগতম। অবদানকারীদের আড্ডা হলো এমন একটি জায়গা যেখানে তারা পরিকল্পনা, নতুন ধারণা এবং উন্নয়নের বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। এখানে আলাদা করে আলাপ পাতা ব্যবহারের প্রয়োজন নেই--সরাসরি মন্তব্য করার মাধ্যমে আপনার মতামত দিন!

পরিকল্পনা

[সম্পাদনা]

চিন্তাভাবনা

[সম্পাদনা]

সাধারণ মন্তব্যসমূহ

[সম্পাদনা]

ঠিক আছে, আমি নিশ্চিত নই যে কথাটি বলার জন্য এটিই সঠিক জায়গা কি না, তবে আমার মনে হয় আপনারা দুর্দান্ত কাজ করছেন। এই পাতাটিই আমার প্রয়োজন ছিল। দয়া করে কাজ চালিয়ে যান। — লিসা স্পেনীয় সাহসী ষাঁড়: অতি প্রাচীনকাল থেকেই স্পেনে ষাঁড়কে শ্রদ্ধা করা হতো (আলতামিরা গুহার চিত্র এর একটি উদাহরণ)। পরবর্তীতে আইবেরীয়রা একে দেবতা হিসেবে পূজা করতে শুরু করে। এই জাতির ভক্তি দেখে গ্রিকরা ওই অঞ্চলের নাম দিয়েছিল তাউরোস অঞ্চল, এবং ধারণা করা হয় যে সেখানে মিনোটর ছিল। পরবর্তীতে রোমানদের আগমনে এই ভক্তি একটি প্রদর্শনীতে পরিণত হয়। পরে এটি কিছুটা স্তিমিত হলেও সপ্তদশ শতাব্দীতে কিছু অভিজাত ব্যক্তি ঘোড়ায় চড়ে ষাঁড়ের সাথে লড়াই (রেজোনিও) শুরু করেন। এরপর দরিদ্র মানুষরা পায়ে হেঁটে এর অনুকরণ শুরু করে যা বর্তমানের তোরেও বা ষাঁড়ের লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে এটি মেক্সিকো, স্পেন, পর্তুগাল এবং দক্ষিণ ফ্রান্সে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রদর্শনী হিসেবে প্রচলিত। তবে ষাঁড়ের লড়াইয়ের প্রকৃত আত্মা স্পেনের মধ্যেই রয়েছে এবং এর যত্ন না নিলে এটি হারিয়ে যাবে।

প্রাচীন সভ্যতা সংক্রান্ত নিবন্ধটিতে মেসোআমেরিকার কথা মোটেও উল্লেখ নেই, অথচ নৃবিজ্ঞানীরা একে এমন পাঁচ বা ছয়টি সভ্যতার একটি হিসেবে বিবেচনা করেন যা নিজে থেকেই গড়ে উঠেছিল। সভ্যতার সূতিকাগার নিবন্ধে মেসোআমেরিকার উল্লেখ আছে। প্রাচীন সভ্যতা সংক্রান্ত নিবন্ধটি সংশোধন করা প্রয়োজন।

উইকিবইয়ে কমপ্রিহেনসিভ গাইড টু ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে খুব সুন্দর একটি ভূমিকা এবং সূচিপত্র রয়েছে যা এই প্রকল্পের সূচিপত্র হিসেবে যুক্ত করা যেতে পারে। এটি এক নজরে পড়া এবং দেখা বেশ সহজ।

কিছু সহায়ক ইঙ্গিত

[সম্পাদনা]

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র/যুক্তরাজ্য/ফ্রান্সকে বোঝাতে দয়া করে "মিত্র শক্তি" এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্রে "মিত্রপক্ষ" শব্দটি ব্যবহার করবেন। আমার মনে হয় এটি সবকিছু পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

পাতাটি এমনভাবে সেট করা উচিত যাতে কেউ "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ" লিখলে সরাসরি এই পাতায় চলে আসে, কারণ আমি যখন এটি লিখেছিলাম তখন তা কাজ করেনি। আমাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ লিখে এখানে আসতে হয়েছে।

অধ্যায়গুলো অঞ্চলের ভিত্তিতে সাজানোর চেয়ে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হলে ভালো হতো (যেমনটা এপি পরীক্ষার কোর্সে দেখা যায়)। আঞ্চলিক উপ-বিভাগগুলোকে সেই বড় বিষয়ভিত্তিক অধ্যায়ের অংশ হিসেবে রাখা যেতে পারে। যেমন ধ্রুপদী সভ্যতার প্রতিটি নিয়ে আলাদা আলাদা অধ্যায়ের বদলে সবগুলোকে একটি বড় ইউনিটের অধীনে রেখে তাদের মধ্যকার মিল ও অমিলগুলো নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

পাতার শিরোনামসমূহ

[সম্পাদনা]

উইকিমার্কআপ {{বিশ্বের ইতিহাস/উৎস}} পাতার ওপরের অংশটি তৈরি করে।