বাংলা ব্যাকরণ/রূপতত্ত্ব
অবয়ব
রূপতত্ত্ব (Morphology) হলো ব্যাকরণের একটি শাখা, যেখানে শব্দের গঠন, রূপান্তর এবং প্রকার নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাংলা রূপতত্ত্বে শব্দ ধাতু, উপসর্গ, প্রত্যয় ও বিভক্তি যোগে গঠিত হয়।
- পাঠ ১ শব্দ ও পদ
- পাঠ ২ শব্দশ্রেণি
- ২.১ বিশেষ্য
- ২.২ সর্বনাম
- ২.৩ বিশেষণ
- ২.৪ ক্রিয়া
- ২.৫ ক্রিয়াবিশেষণ
- ২.৬ অনুসর্গ
- ২.৭ যোজক
- ২.৮ আবেগ
- পাঠ ৩ শব্দ গঠন প্রক্রিয়া
- ৩.১ উপসর্গ
- ৩.২ প্রত্যয়
- ৩.৩ সমাস
- ৩.৪ শব্দদ্বিত্ব
- পাঠ ৪ ক্রিয়ার কাল
- পাঠ ৫ বাংলা অনুজ্ঞা
- পাঠ ৬ পদের লগ্নক
- ৬.১ বিভক্তি
- ৬.২ নির্দেশক
- ৬.৩ বচন ও অন্যান্য
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা]বাংলা রূপতত্ত্বে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
শব্দের গঠন
[সম্পাদনা]- ধাতু, উপসর্গ ও প্রত্যয়ের মাধ্যমে নতুন শব্দের সৃষ্টি।
- উদাহরণ: লিখ + ক → লিখক, শিক্ষা + ক → শিক্ষক।
ধাতু
[সম্পাদনা]ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়।
- উদাহরণ: খা, চল, কর।
উপসর্গ
[সম্পাদনা]শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে অর্থ পরিবর্তন করে।
- উদাহরণ: উপ + কার → উপকার, আ + গমন → আগমন।
প্রত্যয়
[সম্পাদনা]শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
- উদাহরণ: বিদ্যা + আর্থী → বিদ্যার্থী, কর + মান → করমান।
বিভক্তি
[সম্পাদনা]শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে ব্যাকরণগত সম্পর্ক প্রকাশ করে।
- উদাহরণ: ছেলে + কে, বই + তে।
বৈশিষ্ট্য
[সম্পাদনা]- বাংলা একটি ধাতুভিত্তিক ভাষা।
- উপসর্গ ও প্রত্যয়ের মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠনের প্রবণতা প্রবল।
- বিভক্তি ব্যবহারে বাক্য সহজবোধ্য হয়।