বিষয়বস্তুতে চলুন

বাংলা ব্যাকরণ/ভাষা ও ব্যাকরণ/বাংলা ভাষারীতি

উইকিবই থেকে

সকল সুপ্রতিষ্ঠিত ভাষার মতো বাংলা ভাষারও মৌখিক রূপ বা কথ্য রীতি এবং লৈখিক রূপ বা লেখ্য রীতি এই দুই ধরনের রূপ বা রীতি রয়েছে। আবার, বাংলাতে এই কথ্য ও লেখ্য ভাষা রীতির মধ্যেও একাধিক বিভাজন রয়েছে। কথ্য রীতির মধ্যে আছে আঞ্চলিক কথ্য রীতি ও প্রমিত কথ্য রীতি; লেখ্য রীতির মধ্যে চলিত রীতি, সাধু রীতি এবং কাব্য রীতি। নিচে এসব রীতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

২.১ কথ্য ভাষা রীতি

[সম্পাদনা]

কথ্য ভাষা রীতি যেকোনো ভাষারই মূল রূপ। কথ্য রীতির উপর ভিত্তি করে লেখ্য ভাষা রীতির রূপ তৈরি হয়। স্থান ও কালভেদে ভাষার যে পরিবর্তন ঘটে তাতে মূলত কথ্য ভাষা রীতিরই পরিবর্তন হয়। আর, এভাবেই কথ্য ভাষা রীতির পরিবর্তনের ফলেই নতুন নতুন ভাষা ও উপভাষার জন্ম হয়।

আঞ্চলিক কথ্য রীতি

[সম্পাদনা]

কথ্য ভাষা রীতির আঞ্চলিক রূপভেদ সহজে বোঝা যায়। এই আঞ্চলিক রূপের ভিন্নতা সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায়। যেমন মুর্শিদাবাদের ভাষা, নোয়াখালীর ভাষা, কিংবা ময়মনসিংহের ভাষা। ভাষার এই আঞ্চলিকতাকে উপভাষা নামে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। এই পাঠের ২.৩ পরিচ্ছেদে বাংলা ভাষার উপভাষাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

প্রমিত কথ্য রীতি

[সম্পাদনা]

প্রমিত বা আদর্শ কথ্য রীতি হলো সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীর সর্বজনীন কথ্য ভাষা। বাংলাদেশ ও ভারতের রেডিও, টেলিভিশন ও অন্যান্য মাধ্যমে বাংলা ভাষায় প্রচারিত নানা ধরনের অডিও-ভিডিও বক্তব্য, আলোচনা, নাটক, সংগীত ও অনুষ্ঠানাদিতে এই রীতির প্রয়োগ দেখা যায়। এই রীতিই প্রমিত লেখ্য রীতির ভিত্তি। তবে বক্তার সামাজিক অবস্থান, জীবিকা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি ভেদে আদর্শ কথ্য রীতিতে কমবেশি তফাত থাকে। কথ্য প্রমিত ও লেখ্য প্রমিত রীতির সমন্বয়েই প্রমিত বাংলা ভাষা গড়ে ওঠেছে।

২.২ লেখ্য ভাষা রীতি

[সম্পাদনা]

কথ্য ভাষা রীতির ওপর ভিত্তি করে লেখ্য ভাষা রীতি গড়ে ওঠে। তবে এতে লিপির বিবর্তনের ইতিহাসও জড়িয়ে আছে। বাংলা ভাষার প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন চর্যাপদ, যা আনুমানিক দশম শতাব্দীর দিকে বাংলা কাব্য রীতিতে রচিত হয়েছে। এরপর প্রয়োজনের তাগিদে সাধু রীতি এবং পরে চলিত রীতির প্রচলন ঘটে।

কাব্য রীতি

[সম্পাদনা]

কবিতার ভাষার বাক্যগঠন ও অর্থ প্রায়শই সাধারণ ভাষা রীতি থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। গদ্য কাব্য রীতি ও পদ্য কাব্য রীতি নামে এর দুটি বিভাগও আছে। বাংলা সাহিত্যের এবং সর্বোপরি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন কাব্য ভাষা রীতিতেই রচিত হয়েছিল। মধ্যযুগে এই ভাষা রীতি আরও বিস্তৃত হতে থাকে। আধুনিক কালেও এর গুরুত্ব কমেনি। তথাপি আধুনিক যুগেই বাংলা সাহিত্য তার উচ্চতার শিখরে আরোহন করেছিল বাংলার প্রখ্যাত কবিদের হাতে। অর্থাৎ, বাংলা ভাষার কাব্য রীতি সুদূর অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত সবসময়ের জন্য অন্যসব রীতির সাথে থেকেও স্বতন্ত্রভাবে টিকে আছে।

সাধু রীতি

[সম্পাদনা]

সাধু রীতি হচ্ছে বাংলা ভাষার প্রাচীন ও সংস্কৃতঘেঁষা রূপ। এতে দীর্ঘ শব্দ, সংস্কৃত তৎসম শব্দ ও জটিল বাক্যগঠন বেশি দেখা যায়।

  • ১৯শ শতাব্দীর শুরুতে বাংলা সাহিত্যে এই রীতি বহুল ব্যবহৃত হয়েছিল।
  • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখের প্রারম্ভিক রচনায় সাধুরীতি দেখা যায়।
  • গুরুগম্ভীর, দীর্ঘ, সংস্কৃতঘেঁষা।
  • উদাহরণ: আমি আসিয়াছি, সে করিয়াছিল

চলিত রীতি

[সম্পাদনা]

চলিত রীতি (বর্তমান প্রমিত বাংলা) হলো আধুনিক ও সহজ বাংলা রীতি। এটি কথ্যভাষার কাছাকাছি এবং পাঠকের জন্য বোধগম্য।

  • প্রমথ চৌধুরী (সাবুজপত্র) প্রথম সাহিত্যে চলিতরীতির ব্যবহার করেন।
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও চলিতরীতিকে জনপ্রিয় করে তোলেন।
  • সহজ, কথ্যভাষার নিকটবর্তী, আধুনিক।
  • উদাহরণ: আমি এসেছি, সে করেছিল

২.৩ বাংলার উপভাষা

[সম্পাদনা]
বাংলা ভাষার প্রধান উপভাষাগুলি ও তাদের উপভাষা-গুচ্ছের একটি মানচিত্র।

বাংলা ভাষায় অঞ্চলভেদে ভিন্ন উচ্চারণ হয়ে থাকে। ভাষাবিদ সুকুমার সেন বাংলা উপভাষার শ্রেণিবিন্যাস করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাংলা ভাষা উচ্চারণগতভাবে আলাদা। বাংলা উপভাষা ছয়টি উপভাষাগুচ্ছে ভাগ করা যায়, যথা: রাঢ়ী, বঙ্গালী, বরেন্দ্রী, মানভূমী, রংপুরী এবং সুন্দরবনী উপভাষা। নিচে এসকল উপভাষা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

রাঢ়ী উপভাষা

[সম্পাদনা]

কেন্দ্রীয় বাংলা বা রাঢ়ী উপভাষা বাংলা ভাষার একটি প্রধান উপভাষাগুচ্ছ। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে প্রচলিত। অর্থাৎ, পশ্চিমবঙ্গের নদীয়াসহ ভাগীরথী নদী (হুগলি নদী) অববাহিকা সংলগ্ন অন্যান্য জেলা এবং বাংলাদেশের কুষ্টিয়া অঞ্চলের বাঙালিদের কথ্য ভাষায় এই উপভাষার প্রভাব লক্ষ্যণীয়। এই উপভাষাটিই আধুনিক প্রমিত বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি।

রাঢ়ী বাংলার উপভাষাগুলো হলো: নদীয়া-কুষ্টিয়া উপভাষা, বর্ধমানী উপভাষা, হুগলি-হাওড়া উপভাষা এবং কলকাতা উপভাষা।

বিস্তৃতি —
ভারত (পশ্চিমবঙ্গ): নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, কলকাতা এবং মেদিনীপুর (অংশবিশেষ)।
বাংলাদেশ: কুষ্টিয়া, মেহেরপুর এবং চুয়াডাঙ্গা।

বঙ্গালী উপভাষা

[সম্পাদনা]

বঙ্গ উপভাষা, বঙ্গালী উপভাষা বা পূর্ববঙ্গীয় বাংলা হলো উপভাষাভাষীর সংখ্যা বিবেচনায় বাংলা ভাষার সবচেয়ে বৃহৎ উপভাষা। অধুনা বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই এই উপভাষায় কথা বলে থাকেন। প্রচলিতভাবে পশ্চিমবঙ্গে ঘটিদের সঙ্গে পূর্ববঙ্গীয় বাঙালদের ঐতিহাসিক সংযুক্তির কারণে পশ্চিমবঙ্গে বাঙাল ভাষা নামে সুপরিচিত। এটিকে কখনো কখনো খাইছি-গেছি বাংলাও বলা হয়, যা দ্বারা উপভাষাগত দিক থেকে প্রমিত বাংলার সঙ্গে পূর্ববঙ্গীয় উপভাষাগুলোর উচ্চারণের পার্থক্যকে তুলে ধরে।

বঙ্গালী উপভাষাগুচ্ছের প্রধান উপভাষাগুলো হলো: ময়মনসিংহী (মমিনসিঙ্গা) বাংলা, ঢাকাইয়া উপভাষা, ঢাকাইয়া কুট্টি, চন্দ্রদ্বীপী (বরিশাইল্লা) বাংলা, নোয়াখাইল্লা উপভাষা, কুমিল্লাইয়া উপভাষা, খুলনা-যশোর উপভাষা, ফরিদপুরী বাংলা, সিলেটি বাংলা এবং চাটগাঁইয়া বাংলা।

বিস্তৃতি —
বাংলাদেশ: বরিশাল বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগ, ঢাকা বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ, খুলনা বিভাগ (কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর এবং খুলনা জেলার অংশবিশেষ ব্যাতিত) এবং সিলেট বিভাগ।
ভারত: ত্রিপুরা, বরাক উপত্যকা, হোজাই জেলা, জিরিবাম জেলা এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগ্রাম উপজেলা।
মায়ানমার: মংড়ু জেলার অংশবিশেষ।

বরেন্দ্রী উপভাষা

[সম্পাদনা]

বরেন্দ্রী উপভাষা বা উত্তর-মধ্য বাংলা হচ্ছে বাংলাদেশ এবং ভারতের পদ্মা ও মহানন্দা উপত্যকা অঞ্চল জুড়ে বসবাসকারী বাঙালিদের ব্যবহৃত বাংলা ভাষার একটি উপভাষাগুচ্ছ। এটি উত্তরবঙ্গীয় বা উদীচ্য নামেও পরিচিত। এই উপভাষাটি মূলত বরেন্দ্র অঞ্চলে (প্রধানত বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ এবং গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার কিছু অংশ এবং ভারতের মালদহ বিভাগ) প্রচলিত। এটি পার্শ্ববর্তী বিহার ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতেও ব্যবহৃত হয়। বরেন্দ্রী উপভাষায় প্রতিবেশী মৈথিলি এবং অন্যান্য বিহারি ভাষার কিছুটা প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। এই উপভাষার একটি বিশেষ সুর আছে। যার কারণে এটি সমগ্র বঙ্গে বেশ জনপ্রিয়। ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা গানে এই উপভাষা ব্যবহার হয়।

বরেন্দ্রী বাংলার উপভাষাগুলো হলো: রাজশাহীয় উপভাষা, মালদা বাংলা, দিনাজপুরী বাংলা, মুর্শিদাবাদী বাংলা, পাবনাইয়া বাংলা, বগুড়াইয় বাংলা এবং শেরশাবাদীয় বাংলা।

বিস্তৃতি —
বাংলাদেশ: রাজশাহী বিভাগ, দিনাজপুর এবং গাইবান্ধা জেলার অংশবিশেষ।
ভারত: পশ্চিমবঙ্গের মালদহ বিভাগ (ইসলামপুর উপজেলা ব্যতীত), ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের অংশবিশেষ।

মানভূমী উপভাষা

[সম্পাদনা]

ঝাড়খণ্ডী বাংলা, পশ্চিমাঞ্চলীয় বাংলা বা মানভূমী বাংলা হলো পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চল, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার কিছু জেলায় প্রচলিত বাংলা ভাষার একটি উপভাষাগুচ্ছ। এটির ওপর প্রতিবেশী হিন্দি এবং ওড়িয়া ভাষার কিছুটা প্রভাব রয়েছে। মানভূমী বাংলার একটি সমৃদ্ধ লোকসংগীতের ঐতিহ্য রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া, বর্ধমান, বাঁকুড়া ও বীরভূম জেলার কিছু অংশে এবং ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম, সরাইকেলা খড়সাওয়াাঁ, বোকারো, ধানবাদ ও রাঁচি জেলার গ্রামগুলোতে মাসব্যাপী টুসু উৎসব পালনকালে গ্রাম্য মেয়েরা টুসু গান গেয়ে থাকেন। এছাড়া ভাদু গান, করম গান, বাউল গান এবং ঝুমুর গানও মানভূমী বাংলায় রচিত হয়।

মানভূমী বাংলার উপভাষাগুলো হলো: বাঁকুড়া-মানভূমী বাংলা, মেদিনীপুরী বাংলা, বীরভূমী বাংলা, সিংভূমী বাংলা এবং কাঁথি উপভাষা।

বিস্তৃতি —
ভারত: পশ্চিমবঙ্গ (মেদিনীপুর বিভাগ, প্রেসিডেন্সি বিভাগ এবং বর্ধমান বিভাগের অংশবিশেষ), ঝাড়খন্ড (কোলহান বিভাগ, সাঁওতাল পরগনা বিভাগ, রাঁচি জেলা এবং উত্তর ছোটনাগপুর বিভাগের অংশবিশেষ), ওড়িশা (ময়ুরগঞ্জ জেলা এবং বলসোর জেলা)

রংপুরী উপভাষা

[সম্পাদনা]

রংপুরী বাংলা বা কামতাপুরী বা রাজবংশী ভাষা বাংলা ভাষার একটি উপভাষাগুচ্ছ; স্বতন্ত্র ভাষা হিসেবেই এটি বেশি পরিচিত। নেপালে তাজপুরীয় নামেও পরিচিত। এ ভাষায় বাংলাদেশের রংপুরের রাজবংশী সম্প্রদায়, ভারতের রাজবংশী, নস্যশেখ, নাথ-যোগী, খেন সম্প্রদায়ের লোকেরা কথা বলে। বাংলা ভাষার প্রমিত রীতির ভিত্তি নদীয়াভিত্তিক হওয়ায় বাংলা ভাষার প্রমিত রীতির সাথে এটির কিছু পার্থক্য দেখা যায়। তবে এই ভাষাভাষী জনগণ কার্যত দ্বিভাষী। ভারত এবং বাংলাদেশে তারা রাজবংশীর পাশাপাশি প্রমিত বাংলা অথবা অসমীয়া ভাষায় কথা বলে থাকেন।

রাজবংশী ভাষার উপভাষাগুলো হলো: রংপুরী উপভাষা, দিনাজপুরী উপভাষা, গোয়ালপাড়ীয উপভাষা, কুচবিহারী উপভাষা, জলপাইগুড়ীয উপভাষা এবং তরাই-শিলিগুড়ি উপভাষা।

বিস্তৃতি —
বাংলাদেশ: রংপুর বিভাগ (দিনাজপুর ও গাইবান্ধা জেলার কিছু অংশ ব্যতীত)।
ভারত: পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বিভাগ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর; বিহারের পূর্ণিয়া বিভাগ এবং অসমের ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, বঙ্গাইগাঁও ও কোকড়াঝাড় জেলা।
নেপাল: ঝাপা এবং মোরঙ জেলা।

সুন্দরবনী উপভাষা

[সম্পাদনা]

সুন্দরবনী উপভাষা বা দক্ষিণী বাংলা হলো বাংলা ভাষার একটি উপভাষাগুচ্ছ। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে এই উপভাষায় কথা বলা হয়। এই উপভাষায় গান, কবিতা এবং গল্প আছে। সাধারণত এটিকে ভাষাবিদগণ রাঢ়ী এবং বঙ্গালীর মধ্যবর্তী উপভাষা হিসেবে গণ্য করেন। কারণ, এটি একইসঙ্গে রাঢ়ী এবং বঙ্গালী উভয়ের বৈশিষ্ট্যই বহন করে।

সুন্দরবনী উপভাষাগুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত উপভাষাগুলো হলো: বসিরহাট-সাতক্ষীরাইয়া উপভাষা, বারুইপুরী উপভাষা এবং সুন্দরবনী বাংলা।

বিস্তৃতি —
ভারত: পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা (বনগ্রাম ও কাকদ্বীপ উপজেলা ব্যতীত)।
বাংলাদেশ: সাতক্ষীরা জেলা এবং খুলনা জেলার অংশবিশেষ।