বিষয়বস্তুতে চলুন

বাংলাদেশের ষড়ঋতু

উইকিবই থেকে

বাংলাদেশের ষড়ঋতু

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের ষড়ঋতু বলতে বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বছরের ছয়টি ঋতুকে বোঝায়। বাংলা সংস্কৃতিতে বছরকে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত — এই ছয় ভাগে বিভক্ত করা হয়। এই ঋতুবিভাগ প্রাচীন ভারতীয় ঋতুচক্রের ধারাবাহিকতার অংশ এবং বাংলা সাহিত্যে, কৃষিতে ও লোকজ সংস্কৃতিতে এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে।[]

ঋতুর তালিকা

[সম্পাদনা]

বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ছয় ঋতু হলো: []

  • গ্রীষ্ম — বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ
  • বর্ষা — আষাঢ় ও শ্রাবণ
  • শরৎ — ভাদ্র ও আশ্বিন
  • হেমন্ত — কার্তিক ও অগ্রহায়ণ
  • শীত — পৌষ ও মাঘ
  • বসন্ত — ফাল্গুন ও চৈত্র

ঋতুর বিবরণ

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ, যেখানে প্রতি দুই মাস পরপর ঋতু পরিবর্তিত হয়। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মিলে গ্রীষ্ম (তীব্র তাপ), আষাঢ়-শ্রাবণ বর্ষা (বৃষ্টি), ভাদ্র-আশ্বিন শরৎ (নীল আকাশ ও কাশফুল), কার্তিক-অগ্রহায়ণ হেমন্ত (ফসল কাটার সময়), পৌষ-মাঘ শীত (ঠান্ডা), এবং ফাল্গুন-চৈত্র নিয়ে বসন্তকাল (ফুল ও ফাগুনের বাতাস) গঠিত হয়, যা প্রকৃতির বৈচিত্র্যময় রূপ ফুটিয়ে তোলে। [] []

গ্রীষ্ম

[সম্পাদনা]

গ্রীষ্মকাল সাধারণত বাংলা বছরের প্রথম ঋতু। এ সময় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং অনেক অঞ্চলে খরার প্রবণতা দেখা যায়।

বর্ষা

[সম্পাদনা]

বর্ষাকালে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। কৃষিকাজের জন্য এ সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শরৎকালে আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং সাদা কাশফুল ফোটে। এ সময় আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে মনোরম হয়।

হেমন্ত

[সম্পাদনা]

হেমন্তকালকে শরৎ ও শীতের মধ্যবর্তী সময় হিসেবে ধরা হয়। এ সময় নতুন ধান কাটা হয় এবং নবান্ন উৎসব উদ্‌যাপিত হয়।

শীতকালে তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং দেশের উত্তরাঞ্চলে বেশি শীত অনুভূত হয়। এই সময় বিভিন্ন শীতকালীন সবজি উৎপন্ন হয়।

বসন্ত

[সম্পাদনা]

বসন্তকালকে ঋতুরাজ বলা হয়। এ সময় গাছে নতুন পাতা ও ফুল ফোটে এবং আবহাওয়া মৃদু ও মনোরম থাকে।

  1. ১.০ ১.১ "Six Seasons of Bangladesh"DateTime.pro.bd। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ 
  2. ২.০ ২.১ "বাংলাদেশের ষড়ঋতু"DateTime.pro.bd। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬