বিষয়বস্তুতে চলুন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি

উইকিবই থেকে
১৯৭৪ সালে ওভাল অফিসে, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের সাক্ষাৎ

স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করেছে। এই পরিচিতি তৈরিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়" মূলমন্ত্রকে ভিত্তি করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হয়ে আসছে। এই বইটি মূলত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক, এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরবে। এখানে আলোচনা করা হবে কীভাবে বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এর পররাষ্ট্রনীতিকে প্রভাবিত করেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের ভূমিকা এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

সূচিপত্র

[সম্পাদনা]
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি
অধ্যায় বিষয়বস্তু
ভূমিকা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
সাংবিধানিক ভিত্তি: সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদ এবং পররাষ্ট্রনীতি
বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি: "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়" নীতির প্রায়োগিক দিক
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক: ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক
চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের সাথে সম্পর্ক: সাহায্য, বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব
মুসলিম বিশ্বের সাথে সম্পর্ক: ওআইসি এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক
আঞ্চলিক সংস্থা: সার্ক, বিমসটেক ও আসিয়ান-এ বাংলাদেশের ভূমিকা
আন্তর্জাতিক সংস্থা: জাতিসংঘ এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান
১০ আধুনিক চ্যালেঞ্জ: রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা, জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রসীমা সুরক্ষা
১১ ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা: একুশ শতকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ