প্রকৌশল শব্দবিজ্ঞান/মাইক্রোফোন কৌশল
সাধারণ কৌশল
[সম্পাদনা]- মাইক্রোফোন এমনভাবে ব্যবহার করা উচিত, যার ফ্রিকোয়েন্সি রেসপন্স রেকর্ড করা কণ্ঠস্বর বা যন্ত্রের ফ্রিকোয়েন্সি সীমার সাথে মানানসই হয়।
- আপনি যেমন শব্দ চান, সেটি না পাওয়া পর্যন্ত মাইক্রোফোনের অবস্থান এবং দূরত্ব পরিবর্তন করে দেখুন।
- যদি ঘরের অ্যাকোস্টিকস ভালো না হয়, তাহলে যন্ত্রের সবচেয়ে উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী অংশের খুব কাছাকাছি মাইক্রোফোন রাখুন অথবা যন্ত্রটিকে আলাদা করে ফেলুন।
- ব্যক্তিগত রুচি মাইক্রোফোন কৌশলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার কাছে যা সঠিক শোনায়, সেটাই সঠিক।
কাজের দূরত্ব
[সম্পাদনা]ঘনিষ্ঠ মাইক্রোফোন স্থাপন
[সম্পাদনা]যখন কোনো শব্দ উৎস থেকে প্রায় ১ ইঞ্চি থেকে ৩ ফুট দূরত্বের মধ্যে মাইক্রোফোন স্থাপন করা হয় তখন একে ঘনিষ্ঠ মাইক্রোফোনিং (ঘনিষ্ঠ মাইক্রোফোন স্থাপন) বলা হয়। এই কৌশল সাধারণত ঘনিষ্ঠ, স্পষ্ট ও সামনের সারির মতো শব্দমান প্রদান করে এবং পরিবেষ্টিত ধ্বনিকে বাদ দিয়ে মূল সিগন্যালকে কার্যকরভাবে আলাদা করতে সহায়তা করে।
শব্দ ফাঁস
[সম্পাদনা]শব্দ ফাঁস (লিকেজ) ঘটে যখন সিগন্যাল সঠিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা যায় না এবং মাইক্রোফোন কাছাকাছি থাকা অন্য কোনো যন্ত্রের শব্দ গ্রহণ করে ফেলে। যদি একটি ট্র্যাকের উপর একাধিক কণ্ঠস্বর থাকে তাহলে এটি মিক্সডাউন প্রক্রিয়াকে কঠিন করে তুলতে পারে। লিকেজ প্রতিরোধ করতে নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করুন:
- যন্ত্রগুলোর কাছাকাছি মাইক্রোফোন রাখুন।
- যন্ত্রগুলোকে একে অপরের থেকে দূরে সরিয়ে দিন।
- যন্ত্রগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের শব্দরোধক প্রতিবন্ধক ব্যবহার করুন।
- দিকনির্দেশিত মাইক্রোফোন ব্যবহার করুন।
৩ থেকে ১ নিয়ম
[সম্পাদনা]৩:১ দূরত্বের নিয়মটি ঘনিষ্ঠ মাইক্রোফোনিংয়ের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ নির্দেশিকা। ফেজ অসঙ্গতি এবং শব্দ ফাঁস প্রতিরোধ করতে মাইক্রোফোন দুটি এমনভাবে স্থাপন করা উচিত যেন তারা একে অপরের থেকে অন্তত সেই দূরত্বের তিনগুণ দূরে থাকে, যতটা দূরত্বে বাদ্যযন্ত্রটি মাইক্রোফোনের কাছাকাছি রাখা হয়েছে। এই নিয়ম অনুসরণ করলে রেকর্ডিংয়ে শব্দের স্বচ্ছতা ও পৃথকতা নিশ্চিত হয়।
দূরবর্তী মাইক্রোফোন স্থাপন
[সম্পাদনা]দূরবর্তী মাইক্রোফোন স্থাপন বলতে বোঝায় শব্দের উৎস থেকে ৩ ফুট বা তার বেশি দূরত্বে মাইক্রোফোন স্থাপন করা। এই কৌশলটি যন্ত্রের সম্পূর্ণ ব্যাপ্তি ও ভারসাম্যপূর্ণ শব্দ বিকশিত হতে পারে এবং একইসঙ্গে ঘরের স্বাভাবিক প্রতিধ্বনিও ধরা পড়ে। এর ফলে রেকর্ডকৃত শব্দে একটি সজীব ও উন্মুক্ত অনুভূতি যুক্ত হয়। তবে, এই পদ্ধতি ব্যবহারে শব্দ পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা ও সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।
উপযুক্ত অংশের শব্দ ধারণ
[সম্পাদনা]উপযুক্ত অংশের মাইক্রোফোনিং (অ্যাকসেন্ট মাইকিং) হলো একটি রেকর্ডিং কৌশল যা ব্যবহৃত হয় যন্ত্রসঙ্গীত দলের মধ্যে একক পরিবেশনার জন্য। একজন একক সংগীতশিল্পীকে পুরো দলের ভেতর থেকে আলাদাভাবে তুলে ধরার প্রয়োজন হয়, কিন্তু মাইক্রোফোন খুব কাছে রাখলে তা দলের বাকি অংশের দূরবর্তী মাইকিং পদ্ধতির তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে জোরালো ও অপ্রাকৃতিক শোনাতে পারে। তাই মাইক্রোফোনটি এমন দূরত্বে স্থাপন করা উচিত যাতে একক পরিবেশনার শব্দটি যথাযথভাবে মিক্স করা যায়—তবে এমনভাবে নয় যে, সেটি পুরোপুরি দলের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন শোনায়।
পরিবেষ্টিত শব্দ ধারণ পদ্ধতি
[সম্পাদনা]পরিবেষ্টিত শব্দ ধারণ পদ্ধতি হলো একটি কৌশল যেখানে মাইক্রোফোন এমন দূরত্বে স্থাপন করা হয়, যাতে ঘরের বা পরিবেশের শব্দ সরাসরি উৎসের চেয়ে বেশি স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া, ঘরের প্রাকৃতিক প্রতিধ্বনি বা কনসার্ট হলের পরিবেষ্টিত ধ্বনি ধারণের জন্য। এর ফলে রেকর্ডিংয়ে একটি বাস্তবসম্মত ও সজীব আবহ তৈরি হয়।
স্টেরিও এবং পরিবেষ্টিত শব্দ ধারণের কৌশল
[সম্পাদনা]স্টেরিও
[সম্পাদনা]স্টেরিও শব্দ ধারণ কৌশল হলো এমন একটি কৌশল যেখানে দুটি মাইক্রোফোন ব্যবহার করে শব্দের একটি বাম-ডান স্টেরিও চিত্র তৈরি করা হয়। একটি সাধারণ পদ্ধতি হলো স্পেইসড পেয়ার, যেখানে দুইটি একই ধরনের মাইক্রোফোন কয়েক ফুট দূরত্বে স্থাপন করা হয় এবং সময় ও তীব্রতার পার্থক্যের মাধ্যমে স্টেরিও ইমেজ তৈরি করা হয়। তবে এই পদ্ধতিতে ফেজ সমস্যার সম্ভাবনা থাকে, কারণ শব্দের পৌঁছাতে সময়ের তারতম্য হতে পারে। এই ঝুঁকি এড়াতে X/Y পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে, যেখানে দুইটি মাইক্রোফোনের গ্রিল বা মাথাগুলোকে যতটা সম্ভব কাছাকাছি স্থাপন করা হয় (তবে যেন একে অপরকে স্পর্শ না করে)। এই পদ্ধতিতে দুইটি মাইক্রোফোনের মাঝে ৯০ থেকে ১৩৫ ডিগ্রির কোণ রাখা হয়। এই কৌশলে শুধুমাত্র তীব্রতার পার্থক্য ব্যবহৃত হয়, সময়গত পার্থক্য নয়, ফলে ফেজ সমস্যার আশঙ্কা অনেকটাই কম থাকে।
পরিবেষ্টিত শব্দ
[সম্পাদনা]৫.১ সাউন্ড বা অন্য কোনো পরিবেষ্টিত সাউন্ড সেটআপের সুবিধা নিতে, মাইক্রোফোনগুলো এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে ঘরের চারপাশের শব্দ ধারণ করা যায়। এই কৌশল মূলত স্টেরিও পদ্ধতির সম্প্রসারণ, যেখানে অতিরিক্ত মাইক্রোফোন যুক্ত করে চারদিকের শব্দ ধরা হয়। যেহেতু প্রতিটি শ্রব্য পরিবেশ ভিন্ন তাই পরিবেষ্টিত শব্দ ধারণের জন্য একটি নির্দিষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করা কঠিন—এক্ষেত্রে পরীক্ষা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মাইক্রোফোন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। মাইক্রোফোনগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব এবং সম্ভাব্য ফেজ বিভ্রান্তি বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
বিভিন্ন যন্ত্রের জন্য স্থান নির্ধারণ
[সম্পাদনা]অ্যাম্প্লিফায়ার
[সম্পাদনা]যখন একটি অ্যাম্প্লিফায়ারে (যেমন: ইলেকট্রিক গিটারের জন্য) মাইক্রোফোন বসানো হয় তখন মাইক্রোফোনটি স্পিকারের কাছ থেকে ২ থেকে ১২ ইঞ্চি দূরত্বে স্থাপন করা উচিত। তবে ৪ ইঞ্চির কম দূরত্বে হলে মাইক্রোফোনের সঠিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্পিকার শঙ্কুর ঠিক মাঝ বরাবর মাইক্রোফোন স্থাপন করলে একটি উজ্জ্বল এবং তীক্ষ্ণ শব্দ পাওয়া যায়। এবং সামান্য কিছুটা পাশে রাখলে নরম ও কোমল শব্দ পাওয়া যায়। অফ-সেন্টারে রাখলে অ্যাম্প্লিফায়ারের গোলমাল বা শোঁ শোঁ শব্দ তুলনামূলকভাবে কমে।
বাঁশির যন্ত্র
[সম্পাদনা]বাঁশির যন্ত্রগুলো (যেমন: ট্রাম্পেট, ট্রম্বোন ও টিউবা) মাঝ থেকে মাঝ-উচ্চ কম্পাঙ্কের দিকনির্দেশনামূলক বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে উচ্চ শব্দচাপের মাত্রা তৈরি করে। তাই এই ধরনের যন্ত্রের জন্য মাইক্রোফোনটি বেলের ঠিক কেন্দ্রের কিছুটা পাশে এবং অন্তত এক ফুট দূরে স্থাপন করা উচিত, যাতে বাতাসের ধাক্কা থেকে অতিরিক্ত লোড বা বিকৃতি রোধ করা যায়।
গিটার
[সম্পাদনা]অ্যাকোস্টিক গিটারের মাইক্রোফোন বসানোর কৌশল নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত শব্দের ধরনের উপর। সাউন্ড হোলের সামনে মাইক্রোফোন রাখলে সবচেয়ে বেশি আউটপুট পাওয়া যায়, তবে এতে শব্দটি নিচু স্বরে ভারী হতে পারে, কারণ সাউন্ড হোল সাধারণত নিম্ন কম্পাঙ্কে অনুরণিত হয়। সাউন্ড হোলের সামান্য পাশ ঘেঁষে ৬ থেকে ১২ ইঞ্চি দূরত্বে মাইক্রোফোন রাখলে সুষম ও পরিষ্কার শব্দ ধরা পড়ে। একই দূরত্বে ব্রিজের কাছাকাছি মাইক্রোফোন রাখলে যন্ত্রটির সম্পূর্ণ কম্পাঙ্ক পরিসর ধারণ করা সম্ভব হয়।
কিছু মানুষ কনট্যাক্ট মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে পছন্দ করেন, যা সাধারণত একটি কম শক্তিশালী অস্থায়ী আঠা দিয়ে যন্ত্রে সংযুক্ত করা হয়। তবে এটি প্রচলিত মাইক্রোফোনের তুলনায় ভিন্ন ধরনের শব্দ প্রদান করে। এই পদ্ধতির মূল সুবিধা হলো—যখন গিটার চালানো হয় বা বাজানোর সময় ঘোরানো হয় তখনও কনট্যাক্ট মাইক্রোফোনের পারফরম্যান্স অপরিবর্তিত থাকে, কারণ এটি সরাসরি যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত। বিপরীতে, একটি স্ট্যান্ডে রাখা প্রচলিত মাইক্রোফোনের ক্ষেত্রে গিটারের অবস্থান বদলালে মাইক্রোফোন ও যন্ত্রের দূরত্ব বারবার পরিবর্তিত হয়, ফলে শব্দের মানেও পার্থক্য দেখা দেয়। কনট্যাক্ট মাইক্রোফোনের অবস্থান পরীক্ষা ও প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের শব্দ পাওয়া যায়। এই একই কৌশল ভায়োলিনের মতো অন্যান্য তারযুক্ত যন্ত্রেও ভালোভাবে কাজ করে।
পিয়ানো
[সম্পাদনা]আদর্শগতভাবে পিয়ানোর সম্পূর্ণ পরিসর বিকশিত হওয়ার পর তা ধারণ করার জন্য মাইক্রোফোন ৪ থেকে ৬ ফুট দূরে স্থাপন করা উচিত। ঘরের শব্দের কারণে এটি সবসময় সম্ভব হয় না, তাই পরবর্তী সর্বোত্তম বিকল্প হলো খোলা ঢাকনার ঠিক ভিতরে মাইক্রোফোন স্থাপন করা। এটি গ্র্যান্ড পিয়ানো এবং আপরাইট পিয়ানো উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
পারকাশন
[সম্পাদনা]ড্রাম সেটের জন্য একটি ওভারহেড মাইক্রোফোন ব্যবহার করা গেলেও, দুটি ব্যবহার করাই উত্তম। যদি সম্ভব হয় ড্রাম সেটের প্রতিটি উপাদানকে ১ থেকে ২ ইঞ্চি দূরত্বে আলাদাভাবে মাইক করা উচিত যেন এগুলো স্বতন্ত্র বাদ্যযন্ত্র। এই কৌশল কঙ্গা এবং বংগো’র মতো অন্যান্য ড্রামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। জাইলোফোনের মতো বড় টিউন করা যন্ত্রের জন্য একাধিক মাইক্রোফোন ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে সেগুলো ৩:১ নিয়ম অনুযায়ী দূরত্বে বসানো উচিত, যাতে ফেজ সমস্যার ঝুঁকি এড়ানো যায়।
কণ্ঠস্বর
[সম্পাদনা]আদর্শ পদ্ধতিতে গায়কের মুখের ঠিক সামনে মাইক্রোফোন স্থাপন করা হয়। তবে, মাইক্রোফোনটি সরাসরি কেন্দ্র থেকে একটু পাশে রাখলে তীব্র ব্যঞ্জন ধ্বনি (যেমন "প" বা "ফ") কমানো যায় এবং অতিরিক্ত ডায়নামিক রেঞ্জের কারণে বিকৃতি রোধ করা যায়। বেশ কয়েকটি উৎস মুখের সামান্য উপরে মাইক্রোফোন রাখারও পরামর্শ দেয় যাতে স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত সাউন্ড পাওয়া যায়।
বাঁশি জাতীয় বাদ্যযন্ত্র
[সম্পাদনা]উডউইন্ডের (বাঁশির জাতীয় বাদ্যযন্ত্র) জন্য একটি সাধারণ নিয়ম হলো বাদ্যযন্ত্রটির মাঝামাঝি অংশ থেকে প্রায় ৬ ইঞ্চি থেকে ২ ফুট দূরত্বে মাইক্রোফোন স্থাপন করা। মাইক্রোফোনটি যেন বাদ্যযন্ত্রের বেল বা সাউন্ড হোলের দিকে হালকাভাবে কাত করা থাকে, তবে সরাসরি তার সামনে না রাখা উচিত।
শব্দ সঞ্চালন
[সম্পাদনা]ধ্বনি কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে তা বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শব্দ পরিবেশের প্রকৃতি অনুসারে মাইক্রোফোনের ব্যবহার কৌশল সামঞ্জস্য করা প্রয়োজন। এটি চারটি মৌলিক উপায়ে ঘটে:
প্রতিফলন
[সম্পাদনা]শব্দ তরঙ্গগুলো পৃষ্ঠ দ্বারা প্রতিফলিত হয় যদি বস্তুটি শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সমান বড় হয়। এটি প্রতিধ্বনি (সাধারণ বিলম্ব), অনুনাদ/প্রতিসরাঙ্ক (অনেক প্রতিফলনের কারণে উৎস বন্ধ হওয়ার পরও শব্দ চলতে থাকে) এবং স্থির তরঙ্গের (দুটি সমান্তরাল দেওয়ালের মধ্যবর্তী দূরত্ব এমন হয় যে মূল এবং প্রতিফলিত তরঙ্গগুলো একই দশায় একে অপরকে শক্তিশালী করে) কারণ।
শোষণ
[সম্পাদনা]শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলিত না হয়ে বরং বস্তুর দ্বারা শোষিত হয়। এটি ইতিবাচক এবং নেতিবাচক উভয় প্রভাব ফেলতে পারে, তা নির্ভর করে আপনি প্রতিধ্বনি কমাতে চান নাকি একটি জীবন্ত শব্দ বজায় রাখতে চান তার উপর।
অপবর্তন
[সম্পাদনা]শব্দের উৎস এবং মাইক্রোফোনের মধ্যে থাকা বস্তুগুলিকে অপবর্তনের কারণে বিবেচনা করতে হবে। শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় বাধা দ্বারা শব্দ আটকে যাবে। অতএব, উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সিগুলি নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সিগুলির চেয়ে সহজে বাধাগ্রস্ত হবে।
প্রতিসরণ
[সম্পাদনা]শব্দ তরঙ্গ বিভিন্ন ঘনত্বের মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় বেঁকে যায়। বাতাস বা তাপমাত্রার পরিবর্তন শব্দের দিককে আক্ষরিক অর্থে প্রত্যাশিত দিকের চেয়ে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হতে পারে।
সূত্রসমূহ
[সম্পাদনা]- হুবার, ডেভ মাইলস, এবং রবার্ট ই. রানস্টেইন। মডার্ন রেকর্ডিং টেকনিকস। ষষ্ঠ সংস্করণ। বার্লিংটন: এলসেভিয়ার, ইনকর্পোরেটেড, ২০০৫।
- শুয়র, ইনকর্পোরেটেড। (২০০৩)। শুয়র প্রোডাক্ট লিটারেচার। ২৮ নভেম্বর, ২০০৫ তারিখে http://www.shure.com/scripts/literature/literature.aspx থেকে সংগৃহীত।


