ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ/ইতিহাস
উৎপত্তি
[সম্পাদনা]আধুনিক থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তির সূচনা ঘটে ১৯৮২ সালে, যখন ড. হিদেও কোদামা প্রথমবারের মতো থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।[১]
১৯৮৪ সালে চার্লস হাল স্টেরিওলিথোগ্রাফি উদ্ভাবন করেন।[২] স্কট ক্রাম্প ১৯৮৯ সালে এফডিএম (ফিউজড ডিপোজিশন মডেলিং) বা এফএফএফ (ফিউজড ফিলামেন্ট ফেব্রিকেশন) প্রিন্টিং প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেন যা আজকের দিনে সর্বাধিক ব্যবহৃত থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তিগুলোর একটি।[৩]
২০০৪ সালে রেপর্যাপ (র্যাপিড প্রোটোটাইপার রেপ্লিকেটিং) নামে একটি ওপেন সোর্স প্রকল্প শুরু হয়, যার লক্ষ্য ছিল এমন থ্রিডি প্রিন্টার তৈরি করা যা নিজেই নিজের কিছু অংশ প্রিন্ট করতে পারে। এই প্রকল্প থেকেই অনেক সাশ্রয়ী মূল্যের বাণিজ্যিক প্রিন্টারের সৃষ্টি হয় এবং থ্রিডি প্রিন্টিং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সহজলভ্য হয়ে ওঠে।[৪][৫]
-
২০০৬ সালে প্রথম রেপর্যাপ একটি রেপর্যাপ যন্ত্রাংশ প্রিন্ট করে।
-
প্রথম প্রতিলিপিকৃত রেপর্যাপ প্রিন্টার।
-
একটি রেপর্যাপ ০.১ প্রিন্টার।
-
২০০৭ সাল বা তার আগের একটি রেপর্যাপ ডারউইন।
গ্রহণযোগ্যতা
[সম্পাদনা]২০১০ সালের দিকে মেকারবট কর্তৃক দেওয়া তৎকালীন সাশ্রয়ী এবং ওপেন সোর্স ত্রিমাত্রিক মুদ্রণযন্ত্রগুলো জনগণের কল্পনাকে আকৃষ্ট করে।[৬][৭] ২০১২ সালে মেকারবট হার্ডওয়্যার ওপেন সোর্সিং বন্ধ করে দেয় এবং দ্রুত স্ট্রাটাসিস কোম্পানির দ্বারা অধিগ্রহণ হয়। এরপর ২০১৬ সালে মেকারবট তাদের নিজস্ব প্রিন্টার উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।[৮][৯][১০]
২০১৫ সালে ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ যন্ত্রের বাজার কিছুটা সঙ্কুচিত হয়।[১১][১২] এই সময় সাশ্রয়ী মূল্যের ক্রিয়ালিটি ব্র্যান্ডের প্রিন্টার জনপ্রিয়তা লাভ করে।[১৩]
২০১০-এর দশকে লু্লজবট এবং প্রুসা উভয় কোম্পানি তাদের বাণিজ্যিক থ্রিডি প্রিন্টারগুলোর যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য নিজস্ব বাণিজ্যিক-মাপের প্রিন্টার ফার্ম পরিচালনা করত।[১৪][১৫]
২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারীর সময় সাপ্লাই চেইন ব্যাহত হওয়ায় নির্মাতারা ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ যন্ত্রের মতো সরঞ্জাম ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) উৎপাদন করেন।[১৬][১৭]
-
২০০৯ সালে মেকারবট কাপকেক নমুনাসহ মেকারবট প্রতিষ্ঠাতা।
-
২০১৬ সালে একটি সুপারমার্কেটে বিক্রির জন্য একটি ত্রিমাত্রিক মুদ্রণযন্ত্র।
-
২০১৬ সালের একটি হ্যাকাথনে ত্রিমাত্রিক মুদ্রণযন্ত্র।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "What You Need to Know About 3D Printing"। Technology Transfer। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "History of 3D Printing Makerspace"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "Closing the Loop On 3D Printing"। UCSF Library। ৩০ নভেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "Materializing information: 3D printing and social change"। journals.uic.edu। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "The Brutal Edit War Over a 3D Printer's Wikipedia Page"। www.vice.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "Making the Makerbot, A DIY 3-D Printer"। Popular Science (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ Simonite, Tom। "Rise of the replicators"। New Scientist। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ Brown, Rich। "Pulling back from open source hardware, MakerBot angers some adherents"। CNET (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ Sharma, Rakesh। "The Real Reason Stratasys Bought MakerBot"। Forbes (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "The MakerBot Obituary"। Hackaday। ২৮ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "People Aren't Buying 3D Printers Anymore, So Companies Are Refocusing on Health"। www.vice.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "MakerBot lays off 20% of its staff—again"। Fortune (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "Creality Ender 3 vs CR-10: The Differences"। All3DP (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "The 3D Printers that Print 3D Printers"। www.vice.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ "Three hundred 3D printers in one room: A quick look to our printing farm"। Prusa Printers। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ Commissioner, Office of the (১৩ নভেম্বর ২০২০)। "3D Printing in FDA's Rapid Response to COVID-19"। FDA (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ Choong, Yu Ying Clarrisa; Tan, Hong Wei; Patel, Deven C.; Choong, Wan Ting Natalie; Chen, Chun-Hsien; Low, Hong Yee; Tan, Ming Jen; Patel, Chandrakant D.; Chua, Chee Kai (সেপ্টেম্বর ২০২০)। "The global rise of 3D printing during the COVID-19 pandemic"। Nature Reviews Materials (ইংরেজি ভাষায়)। পৃষ্ঠা 637–639। doi:10.1038/s41578-020-00234-3। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২০।