তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ/রঞ্জন রশ্মি
তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ; ১০. এক্স-রে
এই রশ্মিগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ০.০১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার, ফলে ফোটনের শক্তি ১kev থেকে ১০০০kev পর্যন্ত। এগুলো ১৮৯৫ সালে উইলহেল্ম রন্টজেন আবিষ্কার করেন।
প্রায়ই এক্স-রেগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় — হার্ড এক্স-রে (তরঙ্গদৈর্ঘ্য ০.০১ থেকে ০.১ ন্যানোমিটার, ফোটনের শক্তি ১০kev থেকে ১০০০kev) এবং সফট এক্স-রে (তরঙ্গদৈর্ঘ্য ০.১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার, ফোটনের শক্তি ০.১kev থেকে ১০kev)। সাধারণভাবে, স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এক্স-রেগুলিকে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তুলনায় বেশি শক্তিশালী বা “হার্ড” বলা হয়।
এক্স-রে চিকিৎসা ও প্রযুক্তিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এগুলো অনেক পদার্থের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে এবং অভ্যন্তরীণ গঠন উন্মোচন করে। অত্যধিক পরিমাণে এক্স-রে, বিশেষ করে খুব শক্তিশালী হার্ড এক্স-রে, জীবন্ত প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর এবং কখনও কখনও মারাত্মক হতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যম মাত্রার এক্স-রে-র সংস্পর্শও মানুষের মধ্যে ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ হতে পারে।