বিষয়বস্তুতে চলুন

জাপানের ইতিহাস: পুরাণ থেকে জাতিসত্ত্বা/কেম্মু পুনরুদ্ধার

উইকিবই থেকে
সম্রাট গো-দাইগো

কেম্মু পুনরুদ্ধার (建武の新政, কেম্মু নো শিনসেই, ১৩৩৩-১৩৩৬) জাপানি ইতিহাসের কামাকুরা যুগ ও মুরোমাচি যুগের মধ্যবর্তী তিন বছরের সময়কাল এবং এই সময়ে সংঘটিত রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের নাম। এই পুনরুদ্ধার ছিল সম্রাট গো-দাইগোর একটি প্রচেষ্টা, যার মাধ্যমে তিনি রাজকীয় পরিবার এবং এর প্রতিনিধিত্বকারী অভিজাতদের পুনরায় ক্ষমতায় আনতে চেয়েছিলেন। এর লক্ষ্য ছিল প্রায় দেড় শতাব্দীর সামরিক শাসনের পর একটি বেসামরিক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।

এই পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় এবং এর স্থলে আশিকাগা শোগুনতন্ত্র (১৩৩৬–১৫৭৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সময়ে শেষবারের মতো সম্রাট প্রকৃত ক্ষমতা ভোগ করেন; এরপর ১৮৬৭ সালের মেইজি পুনরুদ্ধার পর্যন্ত সম্রাটের হাতে আর ক্ষমতা ফিরে আসেনি। এই তিন বছরের সময়কালে সম্রাটের পরিবারের দ্বারা সংঘটিত নানা গুরুতর রাজনৈতিক ভুল-ভ্রান্তি পরবর্তী কয়েক দশকে গভীর প্রভাব ফেলে এবং শেষ পর্যন্ত আশিকাগা শোগুনতন্ত্রের উত্থানে গিয়ে শেষ হয়।

কামাকুরা শোগুনতন্ত্রের পতন দুটি পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হয়, যারা মোটামুটি মিত্র হিসেবেই কাজ করেছিল। একদিকে ছিলেন সম্রাট গো-দাইগো, যিনি শোগুনতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে সম্রাটের নেতৃত্বে কেন্দ্রীভূত শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। অপরদিকে ছিলেন অসন্তুষ্ট যোদ্ধারা (বিশেষ করে মিনামোতো বংশের দুটি শাখা) যাদের উদ্দেশ্য ছিল শুধুমাত্র হোজো পরিবারের পতন ঘটানো এবং শোগুনতন্ত্র টিকিয়ে রেখে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়া। স্বাভাবিকভাবেই, এই দুই পক্ষের মধ্যে অচিরেই সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।

এই সংঘাতের ফলে যে গৃহযুদ্ধ সৃষ্টি হয় তা "উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের যুদ্ধ" নামে পরিচিত। কারণ একপর্যায়ে উভয় পক্ষই সম্রাটের পরিবারের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শাখার একটিকে স্বীকৃতি দেয়। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায় ব্যতীত এটি কোনো প্রচলিত যুদ্ধ ছিল না—এখানে নিয়মিত ফ্রন্ট লাইন বা সংগঠিত কৌশল খুব একটা দেখা যায়নি। বরং এটি ছিল খণ্ড খণ্ড সংঘর্ষে ভরপুর এবং প্রায় প্রত্যেক পক্ষই অন্তত একবার করে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল। বাস্তবে যা ঘটেছিল তা হলো: আশিকাগা তাকাউজি একটি নতুন শোগুনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন যেটি "মুরোমাচি শোগুনতন্ত্র" নামে পরিচিত, কারণ কিয়োতোর মুরোমাচি জেলা ছিল এর সদর দপ্তর। যে কেউ শোগুনতন্ত্রের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লে সে "দক্ষিণ দরবার"-এর সমর্থক হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করতে পারত—এতে করে সে সাধারণ বিদ্রোহী হিসেবে বিবেচিত হতো না। যদিও একটি সংক্ষিপ্ত সময়ে আশিকাগা শোগুনরাও আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ দরবারকে সমর্থন করেছিল এবং তাদের বিরোধীরা উত্তর দরবারকে, কিন্তু অধিকাংশ সময়েই বাস্তবতা ছিল ঠিক উল্টো।

এই যুদ্ধের মূল অর্জন ছিল এমন একটি সামগ্রিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা যেখানে আইনগত বৈধতার গুরুত্ব অনেকটা কমে গিয়ে কেবলমাত্র সামরিক শক্তির মাধ্যমে ভূমির নিয়ন্ত্রণই সবকিছু হয়ে দাঁড়ায়। আশিকাগা শোগুনতন্ত্র যে প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা চালু করেছিল তা ছিল পুরোপুরি সামন্ততান্ত্রিক ভিত্তির ওপর নির্ভরশীল। আশিকাগা শাসকের অধীনস্থ অধিকারভুক্ত সৈন্য-প্রধানদের (সামন্ত) বিভিন্ন প্রদেশের শুগো (সামরিক গভর্নর) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতো এবং নিজস্ব সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তুলে তারা নিজেরা প্রদেশে বাস্তব ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে পারছে কিনা তা সেই গভর্নরদের ওপরই নির্ভর করত। দেশের বহু অংশে আশিকাগা শাসকরা সরাসরি শাসনের কোনো চেষ্টা করেননি; বরং মিত্রদের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন যাতে তারা নিজ নিজ সামন্ততান্ত্রিক সংগঠন তৈরি করে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। তবে এই অধ্যায়ে আলোচিত সময়ের শেষ ভাগে (১৪০৮ সাল, যখন সবচেয়ে দক্ষ ও শক্তিশালী আশিকাগা শোগুন আশিকাগা ইয়োশিমিৎসু মারা যান) রাজদরবার পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয় এবং প্রকাশ্য বিরোধ দমন করা হয়।

এই সময়কালে প্রাচীন জাপানের অনেক পুরনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়ে যায়। গ্রামীণ এলাকায় নতুন ধরণের সামাজিক সংগঠন গড়ে ওঠে; শোয়েন (অধিকারভুক্ত ভূসম্পত্তি) ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয় এবং তার পরিবর্তে আত্ম-শাসিত কৃষক গ্রামভিত্তিক একটি নতুন কাঠামো গড়ে ওঠে। কিয়োতো একটি বাস্তব নগরীতে পরিণত হয় এবং আরও নতুন নতুন শহর গড়ে উঠতে থাকে, যেগুলো সাধারণ মানুষ নিজেরাই গঠন করে এবং পরিচালনা করে। একটি অর্থ-ভিত্তিক অর্থনীতি চালু হয়, শিল্প এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রাথমিক রূপ দেখা যায়। শিক্ষার হার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সাহিত্যের ব্যাপক বিকাশ ঘটে, যা পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। এই সময়কালেই জাপানের সামন্ততান্ত্রিক সমাজ সবচেয়ে বেশি মিল দেখিয়েছিল ইউরোপের ১৩শ শতকের সামন্ততন্ত্রের সঙ্গে।

পটভূমি

[সম্পাদনা]
কুসুনোকি মাসাশিগে

১১৯২ সালে মিনামোটো নো ইয়োরিতোমো সম্রাটের কাছ থেকে শোগুন উপাধি লাভ করার পর থেকেই কামাকুরা থেকে শাসনকারী মিনামোটো এবং হোজো পরিবারগুলো সম্রাটের ভূমিকা কুক্ষিগত করে রেখেছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক কারণে কামাকুরা শোগুনতন্ত্র সম্রাটের পরিবারের দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী শাখা দক্ষিণ দরবার (কনিষ্ঠ শাখা) ও উত্তর দরবারকে (জ্যেষ্ঠ শাখা) বিকল্পভাবে সিংহাসনে বসার ব্যবস্থা চালু করে। এই পদ্ধতি কিছু সময় পর্যন্ত কার্যকর ছিল। এই পদ্ধতিটি বেশ কয়েকটি উত্তরাধিকার পর্যন্ত কাজ করেছিল যতদিন না দক্ষিণ রাজবংশের একজন সদস্য সম্রাট গো-দাইগো হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন।

গো-দাইগো শোগুনতন্ত্রকে উৎখাত করতে চেয়েছিলেন এবং নিজের পুত্রকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করে প্রকাশ্যে কামাকুরার প্রতি অবাধ্যতা প্রকাশ করেন। ১৩৩১ সালে শোগুনাত গো-দাইগোকে নির্বাসিত করে, কিন্তু কুসুনোকি মাসাশিগে সহ রাজকীয় অনুগত বাহিনী বিদ্রোহ করে এবং গো-দাইগোকদ সমর্থন জানায়। আশিকাগা তাকাউজি সহ আরও অনেকে তাদের সাহায্য করেন, যিনি গো-দাইগোর বিদ্রোহ দমনের জন্য প্রেরিত হয়ে কামাকুরার বিরুদ্ধে চলে যান। একই সময়ে, পূর্বের আরেকজন প্রধান নিত্তাসাদা শোগুনাতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং তাদের রাজধানী আক্রমণ করেন (কামাকুরা অবরোধ, ১৩৩৩)। শোগুনতন্ত্র তার অগ্রগতি প্রতিরোধের চেষ্টা করে, কিন্তু দ্রুতই ভেঙে পড়ে।

উদ্দেশ্য

[সম্পাদনা]

১৩১৮ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট গো-দাইগো সিংহাসনে আরোহণ করার পর পরই কামাকুরার সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই শাসন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ঐতিহাসিক নথি থেকে জানা যায় যে বিপরীত প্রমাণ উপেক্ষা করে তিনি এবং তার উপদেষ্টারা বিশ্বাস করতেন যে রাজকীয় পরিবার এবং অভিজাতদের ভাগ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব এবং কামাকুরা শোগুনাতই ছিল এর সবচেয়ে বড় ও সুস্পষ্ট বাধা। আরেকটি গুরুতর সমস্যা ছিল ম্যানর এবং তাদের ভূমি সংক্রান্ত ভূমি-মালিকানা সমস্যা (বিস্তারিত জানতে 'শোয়েন' নিবন্ধ দেখুন)। শুগো (গভর্নর) এবং জিতো (ম্যানরের প্রভু) নামক বৃহৎ ভূস্বামীরা তাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং কর ছাড়ের কারণে সরকারকে দরিদ্র করে তুলছিল এবং এর ক্ষমতাকে দুর্বল করছিল। গো-দাইগোর ভবিষ্যত প্রধান উপদেষ্টা কিতাবাতাকে চিকাফুসা তার উত্তরাধিকার সংক্রান্ত লেখায় এই পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। চিকাফুসা স্বীকার করেছিলেন যে, এই বিশেষাধিকারগুলো বিলুপ্ত করার কারো কোনো ইচ্ছা ছিল না, তাই এই ফ্রন্টে সাফল্যের আশা শুরু থেকেই অত্যন্ত ক্ষীণ ছিল। শুগো এবং জিতোদের পরিবর্তে তিনি কী করার পরিকল্পনা করেছিলেন তা স্পষ্ট নয়, তবে তিনি নিশ্চিতভাবে সামুরাই শ্রেণীর সাথে ক্ষমতা ভাগ করে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা পোষণ করেননি। ভূমি মালিকানা সমস্যা যতই গুরুতর হোক না কেন গো-দাইগো এবং তার উপদেষ্টারা এটি সমাধানের জন্য কোনো গুরুতর প্রচেষ্টা করেননি। এর আংশিক কারণ ছিল পশ্চিমা প্রদেশের ম্যানরগুলোর সামুরাইরাই তার পক্ষে বাকুফুকে পরাজিত করেছিল। এমন পরিস্থিতিতে ম্যানরগুলো নিয়ন্ত্রণের যেকোনো প্রচেষ্টা মূল মিত্রদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করত।

পুনরুদ্ধারের সমাপ্তি

[সম্পাদনা]

পেছনের দিকে তাকালে কেম্মু পুনরুদ্ধার ব্যর্থ ছিল। এটি বেশ কিছু কারণে ব্যর্থ হয়েছিল, যার মধ্যে প্রধান ছিল উপলব্ধি করা সম্রাট গো-দাইগোর একটি স্বর্ণযুগে ফিরে যাওয়ার অবাস্তব আকাঙ্ক্ষা। যদিও তার চিকাফুসার মতো হিয়ান যুগের নীতিতে ফিরে যাওয়ার কোনো প্রমাণ নেই, তবে স্পষ্ট প্রমাণ আছে যে তিনি শুধুমাত্র সাম্রাজ্যিক ক্ষমতা নয় বরং এর সংস্কৃতিও পুনরুদ্ধার করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করতেন। তিনি এমনকি দরনারের যে সমস্ত অনুষ্ঠান ব্যবহার থেকে বাদ পড়েছিল সেগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্দেশ্যে কেম্মু নেনচু গিওজি নামে একটি গ্রন্থও লিখেছিলেন। ১৩৩৬ সালে আশিকাগা তাকাউজি সাম্রাজ্যিক আদালতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং একটি নতুন সামরিক শাসনের সূচনা ঘোষণা করেন। তার ঘোষণার পর কিতাবাতাকে আকিয়ের সাম্রাজ্যবাদী বাহিনী কিয়োটোর কাছে তাকে আক্রমণ করে পরাজিত করলে তিনি কিউশুতে পিছু হটতে বাধ্য হন। তাকাউজির এই কেম্মু পুনরুদ্ধারের বিশ্বাসঘাতকতা জাপানি ইতিহাসের পরবর্তী সময়গুলোতে তার নামকে কলঙ্কিত করে তোলে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে নামবোকু-চো যুদ্ধের সূচনা করে। পূর্ববর্তী ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গিগুলো পুনরুদ্ধারের ব্যর্থতাকে সামুরাইদের পক্ষ থেকে আসা অসংখ্য আবেদনের ভূমি পুরস্কারের ক্ষেত্রে অকার্যকারিতার স্তরে দেখার চেষ্টা করেছিল; তবে, এখন এটি স্পষ্ট যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তরে অর্থাৎ ভূমি বিরোধের মামলাগুলি নির্ধারণকারী বিচার বিভাগীয় অঙ্গগুলিতে পুনরুদ্ধার কার্যকর ছিল। এটি আমাদের এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে বাধ্য করে যে তাকাউজির বিদ্রোহ এবং একটি নতুন সামরিক শাসন তৈরি করার আকাঙ্ক্ষা পুনরুদ্ধারের ব্যর্থতার একটি প্রধান নির্ণায়ক ছিল। তার বিদ্রোহ অসন্তুষ্ট যোদ্ধাদের (যাদের আবেদন মঞ্জুর করা হয়নি এমন অনেকেই ছিল) একটি বিশাল অংশকে উৎসাহিত করেছিল যারা কামাকুরার আদলে আরেকটি সামরিক শাসন দেখতে চেয়েছিল।

নানবোকু-চো যুদ্ধ ছিল একটি আদর্শগত সংগ্রাম। একদিকে ছিল সেই অনুগতরা যারা সম্রাটকে আবার ক্ষমতায় ফেরাতে চেয়েছিল, এবং অন্যদিকে ছিল তারা যারা কামাকুরার আদলে আরেকটি সামরিক শাসন তৈরি করতে বিশ্বাসী ছিল। যেন জাপানি ইতিহাসের পূর্ববর্তী দুটি যুগ হিয়ান এবং কামাকুরা আদর্শিক স্তরে একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল। কিতাবাতাকে চিকাফুসার মতো সম্ভ্রান্ত যোদ্ধারা পুনরুদ্ধারে যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে বিশ্বাস করতেন, কিন্তু আদর্শগত স্তরে চিকাফুসা এবং তাকাউজির মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য বহু বছর ধরে নেতাদের মেরুকরণ করে রেখেছিল। পুনরুদ্ধারের ব্যর্থতার পরপরই যুদ্ধের সময় একসঙ্গে গড়ে ওঠা মুরোমাচি শাসন উত্থান লাভ করে। পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা দেখব গো-দাইগো কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শোগুনতন্ত্র (উত্তর আদালতের সাথে) এবং দক্ষিণ আদালতের মধ্যে একটি আদর্শিক যুদ্ধ, যার নাম উত্তর-দক্ষিণ দরবার যুগ (নানবোকু-চো সময়কাল)।


জাপানের ইতিহাস

ভূমিকা
Prehistory through the Jomon Period – The Yayoi Period – The Kofun or Yamato Period – The Asuka Period – The Nara Period – The Spread of Buddhism in Japan – The Early Heian Period – The Middle Heian Period – The Late Heian Period – The Kamakura Period – The Kemmu Restoration – The Nanboku-chō Period – The Muromachi Period (Ashikaga) – The Warring States Period – The Azuchi–Momoyama Period – The Edo Period – The Meiji Restoration – The Meiji Period – The Taisho Period – The Rise of Militarism – World War II – The American Occupation of Japan – Post-War Japan – Japan Today
আরও পড়ুন