কর্মী বিনিময় কর্মসূচী/মা টেলিকমিউনিকেশন

উইকিবই থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

মা টেলিকমিউনিকেশন চৌগাছা, যশোর পরিদর্শনের তারিখ: ০৮ অক্টোবর ২০০৯ থকে ১১ অক্টোবর ২০০৯ যেসকল তথ্যকর্মী পরিদর্শন করেছেন যিনি তত্ত্বাবধান করেছেন

মোঃ আঃ আউয়াল পি এম পল্লীতথ্য কেন্দ্র গ্রামঃ চর হোসেনপুর, পোষ্ট+উপজেলাঃ ঈশ্বরগঞ্জ, জেলাঃ ময়মনসিংহ দীপঙ্কর বিশ্বাস দিগন্তের ডাক কৃষি ব্যাংক ভবন, কেশব মোড়, মাগুরা আবুল কালাম আজাদ বসুন্ধরা কম্পিউটার এন্ড টেকনোলজি, জিপি সিআইসি চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ তৈয়বুর রহমান মা টেলিকমিউনিকেশন চৌগাছা, যশোর

১. টেলিসেন্টার পরিচিতি

K. টেলিসেন্টারের শুরুর তারিখ: ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০০৬ইং L. যেভাবে শুরু হয়েছিল: উদ্দ্যোক্তা তৈয়বুর রহমানের এক আত্মীয় গ্রামীন ফোনে চাকুরি করতো। তার মাধ্যমে উদ্দ্যোক্তা সিআইসি স্থাপনের কথা জানতে পারে। পরে সে গ্রামীন ফোনে যোগাযোগ করে সিআইসি স্থাপন করে। এলাকায় তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে মানুষকে ধারণা দিতে এবং কৃষকদের বিভিন্ন বিষয়ে সঠিক ধারণা দেওয়ার ধারণা দিতেই তার যাত্রা শুরু হয়। M. প্রাথমিকভাবে যারা শুরু করেছিল: তবিবুর রহমান গ্রামীন ফোনের CIC এর সাহায্যে শুরু করেন। N. এই স্থানে টেলিসেন্টার নির্বাচনের কারন: স্থানটি উপজেলা সদরের জনবহুল ও একেবারে মধ্যস্থানে অবস্থিত। স্থানটির সাথে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সংযোগ সড়ক রয়েছে। হাটবার ছাড়া ও এখানে প্রতিদিন শত শত লোকের সমাগম ঘটে। বিশেষ করে সেন্টারটির আশেপাশেই রয়েছে কলেজ, হাইস্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা। পৌর শহরের প্রানকেন্দ্র হওয়ায় এবং প্রান্তিক মানুষের যোগাযোগের কথা চিন্তা করেই এখানে সেন্টার স্থাপনের ধারণা আসে। O. তথ্যকেন্দ্রে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি

যন্ত্রপাতির নাম সংখ্যা কম্পিউটার ২টি প্রিন্টার ২টি টেবিল ৩টি চেয়ার ৪টি

বৈদ্যুতিক পাখা	২টি

কম্পিউটার স্ক্যানার ১টি টেলিসেন্টার ডেকোরেশন সোকেস ২টি ইন্টারনেট মডেম ১টি


P. তথ্যকেন্দ্রের ইন্টারনেট সংযোগ: : টেলিসেন্টারে গ্রামীন ফোনের আনলিমিটেড ইন্টারনেট সংযোগ আছে। Q. তথ্যকেন্দ্রে ব্যবহৃত অফলাইন তথ্য ও সিডি: কৃষি তথ্য পরিদর্শনকারীর মতামত

মোঃ আঃ আউয়াল: টেলিসেন্টারে বেশী বেশী কৃষি তথ্য দিলে তথ্য সেবার মান আরো উন্নত হবে। বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক সিডি ব্যবহার করে টেলিসেন্টারের মান আরো উন্নত করা যায়। 

২. টেলিসেন্টার কর্মী পরিচিতি

K. তথ্যকেন্দ্রে কর্মরত কর্মীদের তালিকা নাম পদবী কি কাজ করছে?

মোঃ তবিবুর রহমান	পরিচালক	মা টেলিকম পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করেন।
মোঃ রমিজুল ইসলাম (সবুজ)	ম্যানেজার	মা টেলিকম ম্যানেজমেন্ট ও সেলস পরিচালনা, হিসাব নিয়ন্ত্রন পরিচালকের অনুপস্থিতিতে মূল দায়িত্ব পালন করেন।
মোঃ টিপু সুলতান	সেলম্যান	বিক্রয় যোগ্য উপকরন বিক্রয় করেন এবং সহযোগিতা করেন অন্যান্য কর্মীদের।
মোঃ নূর হোসেন (রনি)	কম্পিউটার অপারেটর	কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, কম্পোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল, ডিজিটাল ছবি প্রিন্ট, স্ক্যানিং, সিডি রাইট, কৃষি তথ্য ইত্যাদি।
মোঃ মাসুদ রানা	কৃষি তথ্যকর্মী 	গ্রামে গ্রামে গিয়ে কৃষকদের সাথে কথা বলে ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে সেন্টার থেকে কৃষি সমস্যা সমাধানের কথা জানায় ও সেন্টার থেকে সমাধান প্রদানের ব্যবস্থা করেন।

L. কর্মীদের নির্বাচন প্রক্রিয়া  নুর হোসেন রনি: সে মাঝে মাঝে এখানে (সিআইসি) ব্রাউজিং করতে আসতো। উদ্দ্যোক্তা তবিবুর রহমানের পছন্দ হলে তাকে কম্পিউার অপারেটর হিসেবে রাখা হয়। রনি প্রায় ১ বছর কাজ করে। মাসে বেতন - কাজের ৩০% তাকে দেওয়া হয়। তার মাসে কমপক্ষে ২ হাজার টাকা আয় হয়। এতে তার কষ্ট করে চলতে হয়। সে এছাড়া পড়াশোনা করে। সে তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ে।  মোঃ রমিজুল ইসলাম সবুজ : মা টেলিকমিউনিকেশন ম্যানেজার,পরিচালক তার অবর্তমানে ব্যবসাসহ সেবাগ্রহীতাদের চাহিদা মাফিক সেবা প্রদানের জন্য তার ভাইয়ের ছেলে বিস্বস্ত মোঃ রমিজুল ইসলাম সবুজকে বেছে নেন। সৎ শিক্ষিত নিষ্ঠাবান চরিত্রের অধিকারী বিধায় তাকে এ কাজে নিয়োজিত করা হয়।  মো: মাসুদ রানা: ই-কৃষক ক্যাম্পেইনের শুরুতে বিআইআইডি থেকে তবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হয় ও তার পছন্দে অন্য সব যোগ্যতা পরীক্ষা করে বিআইআইডি থেকে মাসুদ রানাকে ই-কৃষক তথ্যকর্মী হিসাবে মনোনয়ন দেয়া হয়। মাসুদ রানা এলাকায় কৃষকদের মাঝে কৃষিতথ্য পাওয়ার সুযোগ হিসেবে জিপিসিআইসির কথা ব্যাপক আকারে প্রচার করেন। একই সাথে সেন্টার থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কৃষি তথ্য সমূহ সরবরাহ করে যা এই এলাকায় সিআইসি কে আরো জনপ্রিয় করতে সক্ষম হয়। M. তথ্যকর্মীর প্রতিদিনের কাজ সময় নুর হোসেন রনি মোঃ রমিজুল ইসলাম সবুজ সকালে দোকানে এসে মেইল চেক করে, কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজ শুরু করেন। সিআইসি’র সুবিধা প্রদান করা। নিজের মেইল চেক

দুপুরে দোকানেই (সিআইসি সেন্টার) খাবার খেয়ে পুনরায় কম্পোজ, প্রিন্ট, ছবি তোলা, নেট এর কাজ শুরু করেন। তথ্য সেবা ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। বিকেলে প্রায় একই প্রকার কাজ করেন। তথ্য সেবা ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। সন্ধায় একই প্রকার সুবিধা প্রদান করেন। মানুষের সাথে কথা বলেন। রাতে বাসায় ফেরেন। CIC মেইল চেক।

N. সামাজিক প্রতিকূলতা • অনেক সময় সেবা গ্রহীতার চাহিদা মাফিক সেবা প্রদান না করতে পারলে মন খারাপ হয়। • সেবা গ্রহীতাদের সাথে অনেক সময় কথা কাটাকাটি হয়। • সেবা গ্রহীতাদের সাথে উত্তম ব্যবহার করে। হাসি মুখে কথা বলে সেবা গ্রহীতার কথাগুলো ভাল করে বুঝে সবুজ তার সমাধান বের করেন। • চাহিদা অনুযায়ী সেবা না পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠান পরিচালক এবং কর্মীর জন্য বিরক্তিকর। পরিদর্শনকারীর মতামত মোঃ আঃ আউয়াল: একদিন এক চার্জার ক্রেতার কাছে চার্জার বিক্রয় করতে গিয়ে তার চাহিদা মাফিক চার্জার দিতে পারে নাই বলে তার মন খুব খারাপ হয়। O. তথ্যকর্মীর ওয়েবসাইট ব্যবহার ওয়েবসাইটের তালিকা ব্যবহারের কারন ruralinfobd.com কৃষি তথ্য সার্ভিসের জন্য prothomalo.com পত্রিকা পড়া gpcic.org সিআইসি সেবা প্রদানের জন্য music.com.bd গান ডাউনলোডের জন্য amarnatok.com নাটক ডাউনলোডের জন্য google.com বিভিন্ন তথ্য খোঁজা এবং ডাউনলোডের জন্য mbbsdoctor.com ডাক্তারী সেবা দেওয়ার জন্য sahittho.com গল্প ও সাহিত্য পড়ার জন্য। ju.pu.com যশোর ইউনিভারসিটির আবেদন nu.edu.bd বিভিন্ন ইউনিভারসিটির তথ্য জানা dse.org.bd ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্চের খবরের জন্য। gmail.com ই-মেইল চেক ও মেইল প্রেরণ cellbazar.com বেচা কেনা

P. তথ্যকর্মীর ব্লগ কিংবা সামাজিক ওয়েবসাইটে অবস্থান সাহিত্য ডটকম, যশোর ইনফো ও গুগল পরিবারের সদস্য। সাহিত্য ডটকমে কবিতা, গল্প, ছড়া ইত্যাদি লেখা ও পড়া। গুগলে বিভিন্ন তথ্য খোঁজা এবং ব্লগ লেখা। Q. উল্ল্যেখযোগ্য ঘটনা যা তথ্যকর্মীকে কাজ করতে উৎসাহিত করে  মোঃ রমিজুল ইসলাম সবুজ: কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন চৌগছার আসাদ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টারে- সেখানে বিড়ম্বনার স্বীকার হয়ে অঙ্গীকার করলেন যে নিজে কম্পিউটার না কিনে শিখবেন না। পড়ে যখন আপন চাচা তবিবুর রহমান মা টেলিকমিউনিকেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করলেন তখন এখানে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নেওয়ার আগ্রহ থেকে এ কাজের উৎসাহ পান। নিজের খরচ নিজে মিটাতে ও সময়টা ভালভাবে কাটাতে এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ইন্টারনেট পরিচালনা ইত্যাদির আগ্রহ থেকে এ কাজে উৎসাহিত পেলেন।  মোঃ নুরনবী রনি: রনির বাবা চা পাতার ব্যবসা করেন। রনির ২ ভাই বোন, পরিবারে বাবাই প্রধান। সে অপারেটরের কাজ করে উপার্জিত টাকা থেকে লেখা পড়ার খরচের পাশাপাশি পরিবারে সাহায্য করে। এতে তার পরিবার উপকৃত হচ্ছে। তার বেকার জীবনে কিছুটা সমাপ্তি ঘটেছে। সে আরও ভাল কাজ শিখে তার মাসিক আয় বাড়াতে চায়, এতে তার বোনের লেখাপড়ার খরচও সে মেটাতে পারবে। পাশাপাশি তার পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা করলে পরিবারে অভাব আর থাকবেনা বলে সে বিশ্বাস করে। সর্বোপরি সে তার লেখা পড়া শেষ করে ভাল চাকুরিতে প্রবেশ করতে চায়। R. তথ্যকর্মীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা  মোঃ রমিজুল ইসলাম সবুজ: ব্যবসাটি শিখে নিজে এমন প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পা করছেন।  মোঃ নূর হোসেন (রনি): তার পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যতে ভাল একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ও কলামিস্ট হওয়া, হার্ডওয়ার ও সফট্ওয়ার নিয়ে কাজ করা, কম্পিউটার নেটের ব্যবহার করে দেশকে কিছু দেয়া যায় এমন কাজ করা, গবেষণাধর্মী কাজ করার ও ইচ্ছা আছে। তথ্য প্রযুক্তির সেবা কিভাবে তৃণমুল মানুষের কাছে আরো বেশি করে দেওয়া যায় সেজন্য কাজ করা। প্রয়োজনে একটি তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব তৈরী করার ইচ্ছাও আছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে প্রযুক্তির ব্যবহার হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া। দক্ষতা অর্জন করে কেন্দ্রটি ভালভাবে চালানো এবং স্বচ্ছল করে গড়ে তোলা। S. তথ্যকর্মীর ব্যক্তিগত জীবন  মোঃ রমিজুল ইসলাম সবুজ: রমিজুল এখনও লেখাপড়া করছে। সে তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজ এ ইন্টারমিডিয়েড ২য় বর্ষ ছাত্র। পিতা পেশায় একজন ড্রাইভার, মাতা গৃহিনী। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সবুজ ২য়। বড় ভাই শফিকুল ইসলাম মালয়েশিয়া প্রবাসী। ছোট ভাই তানভীর স্থানীয় সবুজকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে নার্সারীতে পড়ে। চার বছর বয়সী ছোট বোন সোনিয়া খেলাধুলা ছাড়া আর কিছুতে এখনো যুক্ত হতে পারেনি।  রনির বাবা মোঃ নুরনবী চা পাতার ব্যবসা করেন। রনির ২ ভাই বোন, পরিবারে বাবাই প্রধান। সে অপারেটরের কাজ করে উপার্জিত টাকা থেকে লেখা পড়ার খরচের পাশাপাশি পরিবারে সাহায্য করে। এতে তার পরিবার উপকৃত হচ্ছে। তার বেকার জীবনে কিছুটা সমাপ্তি ঘটেছে। সে আরও ভাল কাজ শিখে তার মাসিক আয় বাড়াতে চায়, এতে তার বোনের লেখাপড়ার খরচও সে মেটাতে পারবে। পাশাপাশি তার পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা করলে পরিবারে অভাব আর থাকবেনা বলে সে বিশ্বাস করে। সর্বোপরি সে তার লেখা পড়া শেষ করে ভাল চাকুরিতে প্রবেশ করতে চায়।

৩. টেলিসেন্টার পরিচালিত এলাকা সম্পর্কে

K. তথ্যকেন্দ্র পরিচালিত এলাকার ভৌগলিক অবস্থান: যশোর জেলার অন্যতম কৃষি সমৃদ্ধ একটি উপজেলার নাম চৌগাছা। চৌগাছা যশোর জেলার সীমান্তবর্তী একটি উপজেলা। জনসংখ্যা ২৩৫,২৫০ জন। L. তথ্যকেন্দ্র পরিচালিত এলাকার জনগণের পেশা: এলাকার জনগনের প্রধান প্রধান পেশা কৃষিকাজ ও দিন মজুরী। এছাড়া অনেকেই ব্যবসার সাথে জড়িত আছে। জেলে, কামার, কুমার, দিনমজুর ইত্যাদি। সীমান্ত এলাকা হওয়ায় অনেকেই চোরা চালানের সাথে জড়িত আছে। ভারত থেকে চোরাই পথে ফেন্সিডিলের ব্যবসা আছে। M. তথ্যকেন্দ্র পরিচালিত এলাকার অবকাঠামো: বিদ্যুৎ আছে, উন্নত না। ইন্টারনেট সংযোগ আছে ৩ থেকে সাড়ে ৩ শতাংশ মানুষের। তবে ৫% লোকজন ইন্টারনেটের সুবিধা গ্রহণ করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইন্টারনেট লোকজন কম বুঝে। তাই ব্যক্তি উদ্যোগে এর সংযোগ বাড়ছে না। এলাকার প্রায় ৫০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুত আছে বিদ্যুৎ এর সংযোগ মোটামুটি থাকলেও মাত্রা অতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে প্রধানত সমস্যা। এলাকার অবকাঠামোর দিক দিয়ে দেশের অন্যান্য উপজেলার বা মফস্বল এলাকার তুলনায় যথেষ্ট ভাল। তবে পাকা রাস্তার পরিমাণ কম। পরিদর্শনকারীর মতামত মোঃ আঃ আউয়াল: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অথবা ইউপিএস/আইপিএস এর মতো মেশিন ব্যবহার করে টেলিসেন্টার স্থাপন করা দরকার। বিদ্যুতের উপর সম্পূর্ণ ভর করলে টেলিসেন্টারের আসল উদ্দেশ্য ভেস্তে যাবে। ইন্টারনেট সম্পর্কে মানুষের স্পষ্ট ধারণা ও এর প্রচারণা বাড়াতে হবে। N. তথ্যকেন্দ্র পরিচালিত এলাকার সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান: এলাকার প্রায় সকল সরকারী প্রতিষ্ঠান আছে। সরকারী কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ নেই। তবে বেসরকারী কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। কলেজ রয়েছে ৮টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৮টি, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৫টি, মাদ্রাসা ৮১টি এবং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬১টি ও বেসরকারী ৭৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। কেজি স্কুল রয়েছে অর্ধশত, সরকারী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন নেই। O. তথ্যকেন্দ্র পরিচালিত এলাকায় অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক উদ্যোগ: এলাকায় কোন সাইবার ক্যাফে নেই, তবে সিআইসি ছাড়াও ৩টি ইন্টারনেটের দোকান রয়েছে। বাজারে ফোন ফ্যাক্সের দোকান রয়েছে ১০/১২টি। ডিজিটাল স্টুডিও রয়েছে ৮/১০টি। এছাড়া অসংখ্য Flexi, I-Top, Easy Load, Tele recharge এর দোকান রয়েছে। মোবাইল দোকান রয়েছে ৫/৬টি। P. তথ্যকেন্দ্র পরিচালিত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কিংবা উল্ল্যেখযোগ্য স্থাপনা বা ঘটনা: এলাকার উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে নীলকুটির বাড়ী, জমিদার বাড়ী ও কপোতাক্ষ নদের উপর ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ব্রীজের ধ্বংসবিশেষ- যা ৭১ সালে পাকবাহিনীর হাতে ধ্বংস হয়। পীড়বলু দেওয়ান মেলা হাজর খানা প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শেষ মঙ্গলবার থেকে পনের দিন পর্যন্ত মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলা ২৫ বছর ধরে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।

৪. টেলিসেন্টারের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কৌশল

K. এলাকার জনগণকে তথ্যকেন্দ্রের সেবার সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচী উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচীর নাম বিবরণ তথ্য প্রযুক্তি মেলা প্রতিষ্ঠানের সেবা সমূহের মধ্যে বাছাই করে তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সংক্রান্ত মেলা। রচনা প্রতিযোগিতা সেবা সমূহের বিষয় ভিত্তিক রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন। স্বাস্থ্য ক্যাম্প হত দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত মানুষ ও দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য ক্যাম্প। শিক্ষা ক্যাম্প বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বিষয়ক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচিতি ইত্যাদি। উন্মুক্ত মেলা সর্ব সাধারনের জন্য সকল প্রকার সেবা সমূহের তালিকা তৈরি করে। পরিদর্শনকারীর মতামত দীপঙ্কর বিশ্বাস : গ্রামের দরিদ্র জনগণের জন্য স্বাস্থ্য বিষয়ক ক্যাম্প করা দরকার। ছাত্রদের জন্য শিক্ষা বিষয়ক ক্যাম্প করা দরকার। সমাজে নারী যাতে নির্যাতিত না হয় সে ব্যাপারে নারীর অধিকার সম্পর্কে ক্যাম্প করা দরকার। বিভিন্ন অপরাধ যেমন, এসিড নিক্ষেপ, শিশু ও নারী পাচার সম্পর্কে ক্যাম্প করা দরকার। L. তথ্যকেন্দ্র পরিচালিত এলাকার এনজিও, সরকারী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর সাথে তথ্যকেন্দ্রের সম্পৃক্ততা: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম্পোজ, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, ছাত্র/ছাত্রীদের আইডি কার্ড তৈরী, প্রশ্নপত্র তৈরি ইত্যাদি প্রয়োজনে। সরকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সরকারী বিভাগ সমূহের বিজ্ঞাপন প্রচার, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনপত্র সংগ্রহ ইত্যাদি কাজে প্রয়োজন হয়। এনজিওঃ এনজিওদের মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন পরিকল্পনা চার্ট তৈরি, কর্মকর্তাদের বিল চার্ট তৈরি, বার্ষিক বাজেট তৈরি ইত্যাদি প্রয়োজন হয়। পরিদর্শনকারীর মতামত দীপঙ্কর বিশ্বাস : এনজিও এর মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পর্কে কাজ করলে ভাল হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণের শিক্ষা ও অধিকার সম্পর্কে প্রচার করলে ভাল হয়। সরকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর মাধ্যমে জনগণের আইন বিষয়ক প্রচার করলে ভাল হয়। M. স্থানীয় সরকার এবং অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠান এর সাথে তথ্যকেন্দ্রের সম্পৃক্ততা: স্থানীয় সরকার এর বিভিন্ন কর্মসূচীকে সামনে নিয়ে জন সচেনতা কার্যক্রম, দুস্থদের তালিকা তৈরি, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, ভিজিএফ কার্ড ইত্যাদি সঠিক লোকদের প্রদান করার জন্য পরামর্শ দেওয়া ও তালিকা প্রণয়ন। সরকারের বিভিন্ন জন সম্পৃক্ত কাজে সহায়তা করা। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গণ সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনাও সহায়তা করা। উপরোল্লোখিত বিষয়ে আর্থিক হেলপ পাওয়া যায়। N. এলাকার ক্ষুদ্র ব্যসায়ীদের সাথে তথ্যকেন্দ্রের সম্পৃক্ততা : সবজি ব্যবসায়ী, ডিম ব্যবসায়ীরা আসেন বিভিন্ন জেলা শহরের বাজার দর জানতে ফোন আলাপের জন্য। O. এলাকার নারীদের সাথে তথ্যকেন্দ্রের সম্পৃক্ততা : ইন্টারনেট ভিত্তিক কোন সেবার জন্য আসেন না। আসেন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও কম্পোজ করতে। তবে পরীক্ষার পর রেজাল্টের জন্য নারীরা এসে থাকেন। বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজনে, গান ডাউনলোড এর প্রয়োজনে, ছবি স্ক্যানের প্রয়োজনে এখানে নারীরা আসে সেবা নিতে। ছাত্রীরা পরীক্ষার রেজাল্ট, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ফরম ডাউনলোড করে নেয়। P. এলাকার শিশু ও কিশোরদের সাথে তথ্যকেন্দ্রের সম্পৃক্ততা: গান শোনতে, গান ডাউনলোড করতে, ছবি স্ক্যানিং করতে কিশোররা আসেন টেলিসেন্টারে। শিশুদের জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু না থাকায় শিশুরা এখানে আসে না।

৫. টেলিসেন্টার ব্যবস্থাপনা K. দৈনিক কর্মসময়: সকাল ৯টা থেকে রাত্র ১০টা পর্যন্ত। L. কর্মীদের দায়িত্ব বন্টন: কেন্দ্র ব্যবস্থাপক হিসাব ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে এবং অন্যদেরকে মাসিক কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী দায়িত্ব ভাগ করে দেন। M. কর্মীর দৈনিক কাজের তালিকা : সকাল ৮টা -১০ টা মেইল চেক। ১০-২টা পর্যন্ত তথ্য সেবা ও কম্পিউটারে যাবতীয় কাজ। ২-৩টা বিরতি। ৩-১০টা পর্যন্ত তথ্য সেবা ও কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ। N. তথ্যকেন্দ্র পরিদর্শনকারী কিংবা সেবা গ্রহীতাদের তালিকা সংরক্ষণ: টেলিসেন্টারে পরিদর্শন/মন্তব্য বই নেই। সেবা গ্রহীতাদের তালিকা সংরক্ষিত হয় না। বিশেষ বিশেষ সেবা গ্রহীতার ছবি তুলে রাখা হলেও সকল গ্রাহক বা সেবাগ্রহীতার ছবি তুলে রাখা হয় না। O. তথ্যকেন্দ্রের নতুন কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া: মা টেলিকমিউনিকেশন সেন্টারে নতুন নতুন কাজের সিদ্ধান্ত পরিচালক নিজেই গ্রহণ করেন। দৈনন্দিন কাজের সময় সূচী আছে প্রত্যেক কর্মীর কাজ বন্টন আছে। নিয়ম অনুযায়ী যার যার কাজ সেই করে থাকেন। অনেকেই পার্ট টাইম অনুযায়ী কাজ করার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক সময় পরিচালকের সাথে সমন্বয় হয় না। পরিচালক এছাড়াও অন্য একটি চাকুরী করেন বিধায় প্রত্যেকদিন সমন্বয়ের কাজটি করতে পারেন না। সপ্তাহে একদিন সমন্বয় করা হয়। সবাইকে নিয়ে পরামর্শ করে কাজ পরিচালনা করে থাকেন। P. তথ্যকেন্দ্রের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণ: মা টেলিকমিউনিকেশনে আর্থিক হিসাব রাখার একটি বই আছে। Q. তথ্যকেন্দ্রের কর্মীদের মূল্যায়ন: কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন করা হয় অত্যন্ত সহজ ভাবে। তাদের পারিশ্রমিক ছাড়াও তাদেরকে উৎসাহ দেওয়া হয়। ভাল কাজের তাদেরকে মাঝে মাঝে বখশিস ও উপহার দেয়া হয়। তাদের সিদ্ধান্তও বিবেচনা করা হয়। R. তথ্যকেন্দ্রের সাজসজ্জা: মা টেলিকমিউনিকেশন সেন্টারটি ২ কক্ষ বিশিষ্ট সামনে পিছনে ২টি রুম ভাগ করা হয়েছে। সামনের রুমে মোবাইল যন্ত্রাংশ বিক্রয় ও বিভিন্ন কোম্পানীর মোবাইল সিমে টাকা লোড দেওয়া হয়। পেছনের রুমটিতে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল পাঠানো, স্ক্যানিং ইত্যাদির কাজ হয়ে থাকে। পরিদর্শনকারীর মতামত মোঃ আঃ আউয়াল : একটি টেলিসেন্টার কিভাবে স্থাপন করলে প্রয়োজনের তুলনায়, কাজের চাহিদায় অল্প জায়গায় অধিক কাজ করা যায় সে বিষয়টি আমি মা টেলিকমিউনিকেশন থেকে শিখতে পারলাম।


৬. টেলিসেন্টারের সেবা ও কার্যক্রম

K. তথ্যকেন্দ্রের সেবাগুলো গ্রহণ করে কিভাবে জনগণ লাভবান হয় সেবার নাম কাদের দেয়া হয় কখন দেয়া হয় কোনো ফি নেয়া হয় কি? হলে কিভাবে মোবাইলে টাকা রিচার্জ সেবা নিতে আসা সকলকে সেবা নিতে আসা লোকদের প্রয়োজনীয় টাকা নেওয়া হয়। ইমেইল, ব্রাউজিং, ডাউনলোড ছাত্র শিক্ষকসহ সাধারন মানুষকে প্রয়োজনীয় সময়ে ফি নেওয়া হয় নির্ধারিত হারে কৃষি সংক্রান্ত তথ্য কৃষকদের কৃষকদের প্রয়োজনীয় সময়ে ফি নেওয়া হয় নির্ধারিত হারে পরীক্ষার ফলাফল ও আবেদনপত্র ছাত্রদের পরীক্ষার পর ও ভর্তির সময়ে নির্ধারিত ফি নেওয়া হয়। স্বাস্থ্য তথ্য ও ডাক্তারী সেবা রোগীদের প্রয়োজনীয় সময়ে নির্ধারিত ফি নেওয়া হয়। মোবাইল সিম বিক্রয় সেবা নিতে আসা সকলকে সেবা নিতে আসা লোকদের প্রয়োজনীয় নির্ধারিত ফি নেওয়া হয়। মোবাইল যন্ত্রাংশ বিক্রয় সেবা নিতে আসা সকলকে সেবা নিতে আসা লোকদের প্রয়োজনীয় নির্ধারিত ফি নেওয়া হয়। কম্পিউটার ট্রেনিং সেবা নিতে আসা সকলকে সেবা নিতে আসা লোকদের প্রয়োজনীয় কোর্স ফি ৩৮০০/- টাকা।


L. তথ্যকেন্দ্র পরিচালিত এলাকার নতুন কোনো তথ্য বা সেবার চাহিদা • ভিডিও কনফারেন্সে • লেমিনেটিং • ছবি তোলার • ফ্যাক্স • মোবাইল সেট বিক্রয় • মোবাইল সার্ভিসিং এর চাহিদা আছে • কাস্টমার কেয়ার

৭. টেলিসেন্টারের প্রতিবন্ধকতাসমূহ ও উত্তরণের উপায়

K. তথ্যকেন্দ্র পরিচালনার প্রতিবন্ধকতাগুলো: দক্ষ কর্মীর অভাব, বিদ্যুৎ সমস্যা, আধুনিক প্রযুক্তির অভাব, আর্থিক সংকট ও সামগ্রীর অভাব, ইন্টারনেট স্পিড কম (নেট থাকে না), প্রচার অভাব, ইন্টারনেট খরচ বেশি। L. তথ্যকেন্দ্রের কোনো কারিগরী সমস্যা: কারিগরি সমস্যাগুলো নিজেই সমাধান করার চেষ্টা করেন। তবে কঠিন সমস্যাগুলো যেমন হার্ডওয়ার ও সফ্টওয়ার সমস্যার জন্য দক্ষ টেকনেশিয়ান এনে কাজ করানো হয়। এছাড়া নেট সমস্যার সময় গ্রামীন ফোন ও ঢাকা এবং যশোরের দক্ষ কর্মীর সাথে টাকার বিনিময়ে কাজ সমাধান করতে হয়। M. তথ্যকেন্দ্র কর্মীদের দক্ষতা সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা: বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণের অভাব যেমন, প্রিন্টার্স সার্ভিসিং, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, কম্পিউটারের সাধারণ সফ্টওয়্যারের কাজ, ইন্টারনেট সংক্রান্ত খুটিনাটি সমস্যা ইত্যাদি। বিষয় ভিত্তিক একজন করে কর্মী (একাধিক কর্মী না থাকা) N. এসকল প্রতিবন্ধকতা দূর করতে যেসকল উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে: হার্ডওয়ার, সফ্টওয়ার ও নেটওয়ার্ক বিষয়ে কর্মীদের দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। নেটওয়ার্কের জন্য কাজ করা। আপডেট সফ্টওয়ার সম্পর্কে সময়ে সময়ে ধারণা দেয়া যেতে পারে। নতুন কোন প্রযুক্তি এলে টেলিসেন্টারে গিয়ে সহায়তা করা যেতে পারে।


৮. টেলিসেন্টারের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আর্থিক আয়-ব্যয়

K. তথ্যকেন্দ্রের সেবা গ্রহণকারী (মাসে): গড়ে মাসে ৪,৫০০ জন সেবা গ্রহণ করে থাকে L. তথ্যকেন্দ্রের অবস্থান সম্পর্কে এলাকার যতভাগ জনগণ জানে: টেলিসেন্টারের অবস্থান শতকরা ১০% - ১৫% ভাগ লোক জানে M. এলাকার জনগণ যেভাবে এ কার্যক্রমে সহায়তা করছে: এলাকার লোকজন টেলিসেন্টারটির ব্যাপারে একে অন্যের সাথে আলোচনা করে প্রচারণায় এবং কি কি সেবা সেন্টার থেকে দেওয়া হয় তা এক এলাকার মানুষ অন্য এলাকার মানুষকে জানায়। N. তথ্যকেন্দ্র স্থাপনে আনুমানিক খরচ

খরচের খাত অংক (টাকা) ঘরের পজিশন ৬০,০০০ ঘর মেরামত ১০,০০০

ডেকোরেশন	৬,০০০

ফার্নিচার ৫০,০০০ কম্পিউটার )২টি) ৫০,০০০ স্ক্যানার (১টি) ৩,০০০ ওয়েব ক্যাম্প (১টি) ২,০০০ প্রিন্টার (১টি) ৩,০০০ মডেম (১টি) ১৫,৫০০ ইউপিএস (১টি) ৩,০০০ ফ্যান (৩টি) ৪,৫০০ আনুসাঙ্গিক- ১০,০০০


O. প্রাথমিক স্থাপনের খরচ কিভাবে জোগাড় হয়েছিল: উদ্দ্যোক্তা নিজে P. তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য কোনো আর্থিক সহায়তা বা ঋণ গ্রহণ: হ্যাঁ। ৫০,০০০/- ব্র্যাক ব্যাংক থেকে। Q. তথ্যকেন্দ্রের মাসে (গড়ে) খরচ

খরচের খাত অংক

ঘর ভাড়া	৮০০

বিদ্যুৎ বিল ৬০০ টেলিফোন বিল ২০০

নাইটগার্ড	৩০
জেনারেটর	২০০
কর্মচারী ২ জন	৩,০০০

আপ্যায়ন খরচ ৩০০


R. তথ্যকেন্দ্রের আয়ের খাত

আয়ের খাত আয়ের পরিমান (এক মাসে) কম্পোজ ১০০০ ইন্টারনেট ১৫০০ ব্রাউজিং ৫০০ ফ্লেক্সি ৪০৮০ ই-মেইল ১৫০০ মোবাইল যন্ত্রাংশ বিক্রয় ২০০০ সীম বিক্রয় ২০০০ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ৩০০০