বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিশৈশব:বর্ণমালায় পৃথিবী/সকল পাতা

উইকিবই থেকে
-তে অশনি (বিজলি)
অশনিকে বলে বাজ।
ধেয়ে এল দেখো আজ!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে আকাশ
আকাশেতে কত পাখি।
মনে হয় ধরে রাখি!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ইশকুল
হাতে হাত ধরে ভাই।
ইশকুলে চলো যাই!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঈষিকা (তুলি)
ঈষিকায় রং নিয়ে।
ছবি আঁকে মন দিয়ে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে উইকি (উইকিপিডিয়া)
উইকিতে কত বই।
এসো সব সঙ্গী হই!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঊষা
ঊষাকালে পাখি ডাকে।
আকাশেতে চেয়ে থাকে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঋতু
ঋতু নিয়ে এল রং।
বাহারের কত ঢং!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে একুশে (ফেব্রুয়ারি)
একুশের ডাকে এসো।
মাতৃভাষা ভালোবেসো!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঐকতান
সবে মিলে গায় গান।
এটা হোলো ঐকতান!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ওজন
বাজারের দাম জানা।
ওজনেতে মাল কেনা!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঔপন্যাসিক
ঔপন্যাসিক রবীন্দ্র।
তিনি হলেন কবীন্দ্র!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে কাক
ওই দেখো কালো কাক।
ডালে বসে দেয় ডাক!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে খনি
খনি থেকে আসে সোনা।
বেশি নেই হাতে গোনা!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে গাড়ি
গাড়ি এল চড়ে নাও।
যেথা খুশি চলে যাও!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঘাট
ঘাট দিয়ে বার বার।
নদ-নদী পারাপার!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে আঙুর
আঙুরের মিঠে ফল।
দেখে জিভে আসে জল!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে চিল
চিল আকাশের গায়।
মাছ নিয়ে উড়ে যায়!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ছক
ছক কেটে এই বেলা।
শুরু হবে ঘুঁটি খেলা!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে জাহাজ
জাহাজটা এসে যায়।
সাগরের কিনারায়!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঝরনা
ঝর ঝর ঝরনায়।
মানুষেরা মজা পায়!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে মিঞ (বেড়ালের ডাক)
বেড়ালটা কাছে থাকে।
মিঞ মিঞ করে ডাকে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে টুনটুনি
মগডালে টুনটুনি।
টুই টুই করে শুনি!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঠেলাগাড়ি
মানুষের ঠেলাগাড়ি।
ঠেলে নিয়ে দেয় পাড়ি!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ডিঙি
ডিঙি বেয়ে নদী পার।
কোনো ভয় নেই আর!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

ড়-তে বাড়ি
বসবাস যেখানেই।
বাড়িঘর সেখানেই!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ঢাকনা
ঢাকনাটা দিলে তবে।
মশামাছি দূর হবে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

ঢ়-তে আষাঢ়
আষাঢ়ের দিন এলে।
বরষার দেখা মেলে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে হরিণ
হরিণের শিং বাঁকা।
ভয়ে ভয়ে বনে থাকা!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে তারা
কত তারা আকাশেতে।
দেখা যায় রোজ রাতে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে থালা
থালা ভরা ভাত খাও।
ইশকুলে চলে যাও!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে দই
চিনিপাতা মিঠে দই।
খেয়ে আমি খুশি হই!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ধান
মাঠভরা সোনা ধান।
ভাবনার অবসান!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে নদী
নদী বয়ে চলে যায়।
সাগরের কিনারায়!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে পাহাড়
পাহাড়ের চুড়ো থেকে।
পথ গেছে এঁকে বেঁকে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ফুল
বাহারের ফুল তাই।
ভালোবাসে সব্বাই!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে বরফ
বরফেতে শীত বড়ো।
ভালুকটা জড়োসড়ো!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ভূমি
ভূমিতেই চাষবাস।
দিনভর বারোমাস!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে মানুষ
মানুষকে নিয়ে তবে।
পৃথিবীটা সুখী হবে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে যন্ত্র
যন্ত্রটাকে নিয়ে আজ।
জীবনের যত কাজ!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

য়-তে আয়না
আয়নায় মুখ দেখে।
চেয়ে থাকে হাসিমুখে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে রাত
দিনে কাজ রাতে ঘুম।
পৃথিবীটা নিজ্ঝুম!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে লোহা
লোহা থাকে মাটিতেই।
লোহা ছাড়া গতি নেই!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে শিলালিপি
শিলালিপি কাজে আসে।
পৃথিবীর ইতিহাসে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে ষড়ভুজ
ষড়ভুজ ছয় কোণা।
এক দুই করে গোনা!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে সূর্য
সূর্যেরই আলো থেকে।
আঁধারটা যায় ঢেকে!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে হিমবাহ
হিমবাহে শীত যত।
হয়ে যাবে থতমত!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে চিৎকার
চিৎকার চ্যাঁচামেচি।
থামলেই তবে বাঁচি!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে চাঁদ
পৃথিবীতে আমি আছি।
চাঁদ আছে কাছাকাছি!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-এ রং
দিন আসে দিন যায়।
রং দেখো বদলায়!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ

-তে দুঃখ
সুখ-দুঃখ পাশাপাশি।
পর পর কান্নাহাসি!
স্বরবর্ণ
ব্যঞ্জনবর্ণ